রাজ্যপালের বাজেট-বক্তৃতা আদতে মোদী-দিদি সেটিংয়ের, গর্জে উঠলেন মান্নান-সুজনরা
রাজ্যপালের বাজেট-বক্তৃতা আদতে মোদী-দিদি সেটিংয়ের, গর্জে উঠলেন মান্নান-সুজনরা
রাজ্যপালের বাজেট বক্তৃতাকে মোদী-দিদি সেটিংয়ের ভাষণ বলে ব্যাখ্যা করল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বলেন, রাজ্যপালের বাষণ শুনে বোঝাই গেল না এ ভাষণ গট-আপের নাকি ফিক্সিংয়ের। এই বাজেট-বক্তৃতায় কেন্দ্রের বিপক্ষে একটা কথাও নেই। এই উলটপুরান মোদী-দিদি সেটিংয়ের পুরনো অভিযোগই ফের তুলে ধরছে।

কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে আবদুল মান্নান ও সুজন চক্রবর্তী বলেন, রাজ্য ও রাজ্যপাল মিলে ফের প্রমাণ করলেন তৃণমূল ও বিজেপি একই কয়েনের দু-পিঠ। তাই সেটিং করেই এই বাজেট বক্তৃতা লেখা হয়েছে। এই বক্তৃতায় যেমন রাজ্য তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটা কথাও নেই, তেমনই নেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কোনও কথাও।
রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্যপালের মুখে যেমন সন্তোষজনক বক্তব্য শোনা গিয়েছে, তেমনই রাজ্যপালের মুখ দিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলানো হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, হয়তো এভাবেই সেটিং করা হয়েছে পুরো বিষয়টি। রাজ্যপাল রাজ্যের নানা প্রকল্প নিয়েও সন্তোষজনক বক্তব্য পেশ করেছেন।
রাজ্যপালের বক্তব্যে স্বাস্থ্যসাথী থেকে খাদ্যসাথী, কন্যাশ্রী থেকে সবুজ সাথী বা সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ নিয়ে ইতিবাচক বার্তা ছিল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি সিএএ বিরোধিতাতেও রাজ্য সরকারের অবস্থান জানালেন রাজ্যপাল। সেখানে পরিষ্কার লেখা কেন্দ্রের অবস্থানের বিরোধিতা করছে রাজ্য সরকার।
তবে অন্য কোনও বিষয়ে রাজ্যের লেখা বৈঠকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কোনও কথা নেই। উত্তরবঙ্গে চা বাগানের দৈন্যদশা থেকে শিল্প বন্ধ। কিংবা সম্প্রতি বাজেটে এলআইসির মতো প্রতিষ্ঠানে বিলগ্নিকরণ নিয়েও কোনও কথা বলা হয়নি রাজ্যের তরফে। বাজেট বক্তৃতায় নেই কোনও প্রতিবাদ। এর ফলেই এই বাজেট বক্তৃতাকে গট-আপ বলে ব্যাখ্যা করেছেন আবদুল মান্নান বা সুজন চক্রবর্তীরা।












Click it and Unblock the Notifications