রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতের আবহে রাজ্যপালের চিঠি স্পিকারকে, বিবেচনার বার্তা এসসি-এসটি বিলে
তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি বিল 2019-এর জন্য বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। চিঠিতে তিনি লেখেন- বিধানসভার কার্যনির্বাহ সম্পর্কে আপনি পুরোপুরি অবগত আছেন।
তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি বিল 2019-এর জন্য বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। চিঠিতে তিনি লেখেন- বিধানসভার কার্যনির্বাহ সম্পর্কে আপনি পুরোপুরি অবগত আছেন। সেখানে গভর্নর হিসাবে আমার স্তরে যে বিলম্ব হয়েছে তার কারণ আমি জানিয়েছে। আপনি নিশ্চয় এটা বুঝবেন।

তিনি আরও যোগ করেন, "আমি আপনাকে অনুরোধ করব সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭৫(২)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোনও পদক্ষেপ নেবেন। রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা কর্তৃক বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি। কেননা আগের দিন তৃণমূল সদস্যরা রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া এসসি-এসটি বিল আটকে রাখার অভিযোগে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ করেছিলেন।
এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ মণীশ গুপ্ত জানান, এসসি-এসটি বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে বিধানসভায় পাস করার পরে শুধু স্বাক্ষরের জন্য রাজ্যপালকে প্রেরণ করা হয়েছিল। সাংবিধানিক নীতিমালার অনুযায়ী যখন রাজ্যপালকে একটি বিল পাঠানো হয়, অনুমোদনের জন্য এটি স্বাক্ষর করা তাঁর কর্তব্য।
তিনি আরও অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যপাল সাত-আট দিন ধরে এই বিল হাতে নিয়ে বসে আছেন। কিন্তু সই করছেন না। এজন্য তাঁকে 'বিজেপির এজেন্ট'ও বলেন তিনি।
এদিন এই সই-বিতর্কেই রাজ্যপালের অপসারণ দাবি করল তৃণমূল কংগ্রেস। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের অপসারণ দাবি করে রাজ্যের শাসকদল। অভিযোগ, রাজ্যপাল বিলে সই না করায় ব্যহত হচ্ছে বিধানসভার কাজ। এই মর্মে শাসকদলের সাংসদরা রাজ্যসভায় ওয়াকআউটও করেন।
রাজ্যপাল সই না করায় আটকে রয়েছে এসসি-এসটি বিল। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল বিধায়করা। বিল আটকে রাখার প্রতিবাদ আছড়ে পড়ে রাজ্যসভাতেও। রাজ্যসভায় এই মর্মে আলোচনা চায় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার তা খারি করে দেওয়ায় সাংসদরা ওয়াকআউট করেন। এর আগে রাজ্যপাল বিলে স্বাক্ষর না করায় ইতিমধ্যেই দুদিন মুলতুবি হয়ে গিয়েছে রাজ্য বিধানসভা।












Click it and Unblock the Notifications