রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন তুলতে অনুরোধ! ধর্মীয় জমায়েত নিয়ে আধিকারিকদের সতর্ক করলেন রাজ্যপাল
রাজভবনের বিভিন্ন পদক্ষেপের জেরে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের যোগাযোগ কি একেবারেই নেই, রাজ্যপালের করা টুইটে সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে।
রাজভবনের বিভিন্ন পদক্ষেপের জেরে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের যোগাযোগ কি একেবারেই নেই, রাজ্যপালের করা টুইটে সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে। এদিন সকালে রাজ্যপাল টুই করে সরকারি আধিকারিকদের সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং-এ যদি কোনও খামতি দেখা যায়, তাহলে তাঁদেরই দায়ী করা হবে।

রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন শেষ হোক
এদিন সকালে মুখ্যমন্ত্রীর টুইটার অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করে রাজ্যপাল লিখেছেন রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন শেষ হোক। রাজ্যের জন্যই করোনা মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

দায়ী থাকবেন সরকারি আধিকারিকরা
টুইটে রাজ্যপাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সতর্কতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং-এ কোনও রকমের খামতি থাকে, তাহলে সরকারি আধিকারিকদেরই দায়ী করা হবে।

একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান
রাজ্যপাল অপর এক টুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী অফিস ও মুখ্যমন্ত্রীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। কোনও রকমের ধর্মীয় জমায়েত যাতে না হয়, তারজন্যও বলেছেন রাজ্যপাল। সংকটের সময় রাজনীতি না করে দায়িত্ব পালন করতে মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আগামী দিনে ১০০ শতাংশ লকডাউনের বিধি পালন করবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

রাজ্যপালের উদ্বেগ
রাজ্যপাল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নয় এমন জিনিসকেও লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তিনি বলেছেন এটা রাজনীতি করার সময় নয়। নিজের দলের রাজনৈতিক কর্মীদের মাঠে নামানোর সময় এটা নয়। সরকারি পরিকাঠামোর মধ্যেই রেশন বন্টন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রাজ্যপাল বলেছেন, তাঁর দলের নেতারা রেশন দিলে হয়তো রাজনৈতিক উপকার হবে, কিন্তু অনেক বড় বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications