দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগের দিন ধাক্কা তৃণমূলে, প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র, বিধায়ক-সহ একঝাঁক নেতার যোগদান বিজেপি
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে ও পরে ঝাঁতে ঝাঁকে নেতারা দলবদল করেছেন। এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাঝেও দলবদল। এদিন তৃণমূল (trinamool congress) ছেড়ে বিজেপিতে (bjp) যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র, বিধায়ক-সহ একঝাঁক নেতানেত্
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে ও পরে ঝাঁতে ঝাঁকে নেতারা দলবদল করেছেন। এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাঝেও দলবদল। এদিন তৃণমূল (trinamool congress) ছেড়ে বিজেপিতে (bjp) যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র, বিধায়ক-সহ একঝাঁক নেতানেত্রী। দলবদলকারীদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় (kailash vijayvargiya)।

দীনেশ বাজাজ আগেই তৃণমূল ছেড়েছিলেন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরেই দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন দীনেশ বাজাজ। তিনি তৃণমূলে হিন্দি সেলের দায়িত্বে ছিলেন। তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করার পরেই তিনি সোজা মুকুল রায়ের বাড়িতে যান। তবে সেই সময় বিজেপিতে যোগদান ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। মুকুল রায়ের বাড়িতে তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, মুকুল রায় পুরনো নেতা। তাঁর সঙ্গে আগেই যোগাযোগ ছিল। তিনি সংসদীয় রাজনীতি করতে চাইলেও ২০১১ থেকে ২০২১-এরং মধ্যে তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি তৃণমূল। দলের দুর্দিনে তিনি বিধায়ক ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। হিন্দিভাষীদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে তাঁকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন দীনেশ বাজাজ।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে দল ছেড়েছিলেন নান্টু পালও
তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে দল ছেড়েছিলেন শিলিগুড়ির নেতা নান্টু পালও। তিনি দলের শিলিগুড়ি বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি এসজেডিএ-র ভাইস চেয়ারম্যান পদেও ছিলেন। ছিলেন উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যানও। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন এবার শিলিগুড়ি থেকে অশোক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তিনিই প্রার্থী হবেন। কিন্তু তৃণমূলের তালিকায় স্থান দেওয়া হয় ওমপ্রকাশ মিশ্রকে।
২০০৭-০৮ সালে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। কংগ্রেসের টিকিটে জিতে তিনি পুরসভায় ডেপুটি মেয়রও হয়েছিলেন। তবে রাজ্যে পালাবদলের পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১৫-তে তাঁর স্ত্রীকেও পুরসভায় টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল। দুজনেই জিতেছিলেন। এদিন নান্টু পালের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মঞ্জুশ্রী পালও বিজেপিতে যোগ দেন।

দুজনেই একটা সময়ে ছিলেন বামনেতা
একটা সময় দীনেশ বাজাজ যেমন ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, নান্টু পাল ছিলেন সিপিএম-এ। ১৯৮৮ সালে সিপিএম-এর টিকিটে তিনি পুরভোটে জয়ী হয়েছিলেন। একটা সময়ে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে নান্টু পাল সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।

এদিন আরও যাঁরা যোগ দিলেন বিজেপিতে
এদিন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের হাত থেকে আরও যাঁরা বিজেপি পতাকা হাতে তুলে নেন তাঁরা হলেন, বিধান রোডস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বাবলু তালুকদার, অল ইন্ডিয়া বৈশ্য ফেডারেশনের স্টেট ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন আগরওয়াল এবং আইএনটিটিইউসির অল ইন্ডিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজয় শঙ্কর পাণ্ডে।












Click it and Unblock the Notifications