Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

I-PAC কাণ্ডে নয়া মোড়! রাজীব সহ একাধিক শীর্ষ পুলিশ কর্তাকে সাসপেন্ড করা হোক, সুপ্রিম কোর্টে আবেদন ইডি-র

আই-প্যাক (I-PAC) নিয়ে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হল। সুপ্রিম কোর্টে এবার নতুন করে আবেদন জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আর সেই আবেদনে পশ্চিমবঙ্গের ডিজি‌পি রাজীব কুমার সহ আরও দুজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার দাবিও তোলা হয়েছে।

I-PAC -

রাজীব কুমার সহ কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা (CP Manoj Verma) এবং দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি প্রিয়ব্রত রায়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে কেন্দ্রের ডিওপিটি (Department of Personnel and Training) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করেছে ইডি।

কলকাতা হাইকোর্ট থেকে তড়িঘড়ি স্বস্তি না পাওয়ার কারণেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। হাইকোর্টে ইডি দাবি করেছিল যে, আই-প্যাক তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী, শীর্ষ পুলিশকর্তা এবং অন্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্য সিবিআই তদন্ত হোক। কিন্তু আদালতে বিশৃঙ্খলার কারণে সেই মামলার শুনানি আপাতত মুলতুবি হয়ে যায়।

এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে চলতি মাসের শুরুতে। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে I-PAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। তল্লাশি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। আর ঠিক তার পরেই ঘটে এক নজিরবিহীন ঘটনা।

ইডি আধিকারিকরা যখন প্রতীক জৈনের বাড়ির ভিতরে নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন, ঠিক সেই সময় আচমকাই সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন। তড়িঘড়ি করে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর ঘটনা এই রাজ্যে আগে কখনও দেখা যায়নি।

ইডি জানায় যে, মানি লন্ডারিং মামলায় অভিযুক্ত অনুপ মাজির সঙ্গে যুক্ত সূত্রে পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লির মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর থেকেই আই-প্যাক তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত।

অন্যদিকে আবার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু থেকেই ইডি-র অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি যে, যেসমস্ত নথি এবং তথ্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে সেগুলি তাঁর দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ইডি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৃণমূলকে টার্গেট করছে বলেও অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই কলকাতায় বড় মিছিল করে প্রতিবাদে নামেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মিছিলে টলিউডের একাধিক অভিনেতা এবং অভিনেত্রীকেও দেখতে পাওয়া যায়। মমতার বক্তব্য যে, বিজেপির ইশারায় ইডি তৃণমূলের রাজনৈতিক কৌশল চুরি করতে চাইছে।

এর মধ্যেই আবার গতকাল তৃণমূলের করা মামলাটি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতে ইডি জানায় যে, আই-প্যাক অফিস অথবা প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে তারা কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চ জানিয়েছে যে, যেহেতু কোনও বাজেয়াপ্তির ঘটনা নেই, তাই মামলাটি আর চালানোর প্রয়োজন নেই।

আর এই রায়কে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বড় অস্বস্তি বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর অভিযোগ যে, কয়লা পাচার এবং মানি লন্ডারিং মামলায় ইডি-র কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।

আই-প্যাক তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের সংঘাত এখন সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে। পরিস্থিতি এখন কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+