মাদারিহাটে চায়ে পে চর্চা! উত্তরবঙ্গের জন্য কত আসনের টার্গেট, জানালেন দিলীপ ঘোষ
মাদারিহাটে পায়ে পে চর্চা! উত্তরবঙ্গের জন্য কত আসনের টার্গেট, জানালেন দিলীপ ঘোষ
করোনা আবহেও বিহারে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সফলভাবে পরিচালনা করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা। রাজনৈতিক দলগুলির হাতে খাতা, পেন্সিল। কোন জেলা থেকে সম্ভাব্য আসন কোনগুলি, তা নির্দিষ্ট করছেন। তবে এব্যাপারে যেন বিজেপি (bjp) আগে ভাগেই টার্গেট ঠিক করে ফেলেছে। যা নিয়ে জানিয়েছেন মাদারিহাটে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ(dilip ghosh)।

উত্তরবঙ্গে বিজেপির টার্গেট ৪০-এর বেশি আসন
রাজ্যে ২৯৪ টি আসন। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গে রয়েছে ৫৪ টি। রাজ্যের ৪২ টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৮ টি রয়েছে উত্তরবঙ্গে। ২০১৯-এর নির্বাচনে বিজেপির এর মধ্যে ৭ টি আসন দখল করেছিল। এদিন মাদারিহাটে চায়ে পে চর্চায় যোগ দেওয়া দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বিজেপির টার্গেটের কথা। সেখানে তিনি বলেছেন ৪০-এর বেশি আসন। প্রসঙ্গত বুধবার বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন একই কথা।

নীল নকশা তৈরি করেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
উত্তরবঙ্গ থেকে ৪০ টি আসন চাই-ই। এই টার্গেট আগেই ঠিক করে দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই কথা। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, বিশপ্রকাশ, অরবিন্দ মেননরা। লোকসভা নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছিল উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্তঘাঁটি। তাই আসন ধরে রেখে আসন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

কেন বিজেপির টার্গেট ৪০ টির বেশি আসন
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি উত্তরবঙ্গের ৮টির মধ্যে ৭ টি আসন দখল করেছিল। বিধানসভার নিরিখে দেখতে গেলে ৫৮ টি আসনের মধ্যে ৩৭ টিতেই এগিয়ে ছিল বিজেপি। তাই তাদের ধারনা হয়েছে কিছু না হারিয়ে আসন সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।

একই দাবি তৃণমূলেরও
এদিকে শাসক তৃণমূলও ইতিমধ্যেই একই দাবি করেছে। তারা বলেছে উত্তরবঙ্গ থেকে তারা ৫৪ টির মধ্যে থেকে ৪০টির বেশি আসন পাবে। কেননা ইতিমধ্যেই তাদের হাতে রয়েছে ২২ টি আসন। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির পক্ষে উত্তরবঙ্গ থেকে অতগুলি আসন পাওয়া সম্ভব নয়। তবে তৃণমূল বলেছেন, বাম ও কংগ্রেস উত্তরবঙ্গ থেকে আসন পাবে। এব্যাপারে রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ দাবি করেছিলেন, ২৬০-এর বেশি আসন নিয়ে আবারও সরকার গড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইতিমধ্যেই বিমল গুরুংকে পাশে পেয়েছেন মমতা
তবে উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই কারও পক্ষেই যে সহজ হবে না, তা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই গোর্খা জনমুক্তি নেতা বিমল গুরুংকে পাশে পেয়ে গিয়েছেন। গুরুং প্রকাশ্যে বলেছেন, তিনি তৃণমূলকে সাহায্য করতে চান। এছাড়াও তিনি ২০২১-এর নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী আসনে দেখতে চান। পাহাড় ও সময়তল মিলিয়ে অন্তত ১৪ টি আসনে বিমল গুরুং-এর কিছু না কিছু প্রভাব রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
গত লোকসভা নির্বাচনে আদিবাসী ও নেপালি ভোট বিজেপি পেয়েছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগে গুরুং শিবির বদল করায় নেপালি ভোট ফের তৃণমূলের দিকে যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications