শনির প্রকোপ বাড়লে এমন মহামারী হয়! করোনার কারণ-প্রতিকার নিয়ে নয়া তত্ত্ব দিলীপের
শনির প্রকোপ বাড়লে এমন মহামারী হয়! করোনার কারণ-প্রতিকার নিয়ে নয়া তত্ত্ব দিলীপের
করোনার কারণ নিয়ে এবার নতুন তত্ত্ব খাঁড়া করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, আমি জানি, আমি বলার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড করা হবে। কিন্তু এটাই সত্যি। করোনা কী কারণে হচ্ছে, আর কতদিন তার বিস্তার সবই ব্যাখ্যা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি একইসঙ্গে দিয়েছেন বহু উপদেশও।

শনির যে বছর প্রকোপ বাড়ে
দিলীপের কথায়, পুরানেও ভাইরাসের কথা বলা আছে। বলা হয়েছে, শনির যে বছর প্রকোপ বাড়ে, সেবারই এ ধরনের মহামারী ঘটে। তেমনই এবারও হয়েছে। এবার শনির প্রকোপ বেড়েছে। তাই বিশ্বজুড়ে মহামারী দেখা দিয়েছে। এই মহামারী থেকে রক্ষা পেতে কিছু জিনিসের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। তাহলেই এর কোনও প্রভাব পড়বে না।

দু-মাস এর প্রকোপ থাকবে!
দিলীপ ঘোষ বলেন, এই ধরনের ভাইরাসের প্রকোপ বেশি থাকে দু-মাস। তিন-চার মাসের মধ্যে এই ভাইরাসের কার্যকারিতা থাকে না। এ কথা মিলিয়ে নেবেন। দু-মাস এর প্রকোপ থাকবে। তারপর থেকেই এটা কমতে শুরু করবে। চারমাসের মধ্যে সব গুটিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ সবথেকে বেশি হবে ২৫ মার্চ।

ভারতীয় সংস্কৃতির পরম্পরা মেনেই
এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরে মনসা পুজোতে অংশ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, আমরা থানকুনি পাতার রস, নিমপাতার রস খেয়ে বড় হয়েছি। এটা খাওয়াতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। ফলে আমাদের ছুঁতে পারবে না করোনা। ভারতীয় সংস্কৃতির পরম্পরা মেনেই ভারতে করোনা বিস্তার লাভ করতে পারবে না সেভাবে।

প্রাকৃতিক চিকিৎসার বিশ্বাসী
দিলীপ ঘোষের কথায়, আমরা প্রাকৃতিক চিকিৎসার দীর্ঘদিন বিশ্বাসী। জরিবুটি, টোটকা করেই আমাদের অর্ধেক রোগ সেরে যায়। আমরা সিজন অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস বদল করেই ভালো থাকি। গরম পড়লে নিমপাতা, নিমফুল ভেজে খাই, সজনে ফুল খাই। তাই অনুরোধ, অতি আধুনিক হতে যাবেন না। বিপদ ডেকে আনবেন না।

গোমূত্রও প্রতিষেধক, ব্যাখ্যা
দিলীপ ঘোষ বলেন, গোমূত্রও প্রতিষেধক। যাঁরা বিশ্বাস করেন খাওয়াতেই পারেন। বিশ্বাস করে মরা ভালো অবিশ্বাস করে বাঁচার চেযে। কে বলল গোমুত্র খেয়ে অসুস্থ হয়েছে। বিদেশে গোমূত্র রফতানি হচ্ছে, কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। তিনি রবিবার নিজেও শঙ্খধ্বনি করবেন, অপরকে করতেও অনুরোধ করেন। কেননা শঙ্খধ্বনি জীবাণুনাশক।












Click it and Unblock the Notifications