পশ্চিমবঙ্গ কি আফগানিস্তান নাকি! সাংসদের গাড়ির ওপর হামলা নিয়ে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলীপের
পশ্চিমবঙ্গ কি আফগানিস্তান নাকি! সাংসদের গাড়ির ওপর হামলা নিয়ে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলীপের
ফের তৃণমূল (trinamool congress) সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ রাজ্য বিজেপি (bjp) সভাপতি দিলীপ ঘোষের (dilip ghosh)। সাংসদ সুনীল মণ্ডলের গাড়ির ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করতে গিয়ে তিনি চায়ে পে চর্চার জায়গাকেই বেছে নেন। তৃণমূলকে তিনি কড়া হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

সাংসদের গাড়ির ওপর হামলা
২৬ ডিসেম্বর বিজেপির বর্তমান রাজ্য দফতর হেস্টিংসে নতুন যোগ দেওয়া নেতাদের সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। শনিবার সেখানে ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন তৃণমূলের বিক্ষোভকারীরা। গাড়ি বদলে অন্য গাড়িতে উঠতে গেলেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয়। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির তরফে তৃণমূলের কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। যদিও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছেন, সেখানে দলের কোনও কর্মসূচি ছিল না।

পাল্টা আক্রমণ দিলীপ ঘোষের
এদিন বিষয়টি নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, সবকিছুর সীমা থাকা উচিত। তাঁর প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গ থেকে গণতন্ত্র চলে গিয়েছে নাকি? পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি কি আফগানিস্তানের মতো হয়ে গিয়েছে, প্রশ্ন করেছেন তিনি। এদিন দিলীপ ঘোষ চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়েছিলেন দমদমের সাউথ সিঁথি রোডে নিয়ারা বাগান এলাকায়। সেই চায়ে পে চর্চা থেকেই রাজ্য সরকারের প্রতি আক্রমণ শানান তিনি।

সবকিছুর সীমা থাকা উচিত
দিলীপ ঘোষ বলেন, তারা ভদ্রলোক অত নিচে নামতে পারবেন না। তবে তাঁর হুঁশিয়ারি সবকিছুই সীমা থাকা উচিত। তিনি প্রশ্ন করেন পশ্চিমবঙ্গে থেকে গণতন্ত্র চলে গিয়েছে কি ? বিজেপি কারও দয়ায় রাজনীতি করেন না বলেও মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। শনিবার বামনঘাটায় চায়ে পে চর্চা থেকে দলের কর্মীদের ওপর হামলা এবং তারপর পুলিশের ব্যবস্থা না নেওয়া প্রসঙ্গে অভিযোগ করতে গিয়ে পুলিশকে নপুংসক বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, বিজেপি যখন মারতে শুরু করবে, তখন তৃণমূলের নেতা কর্মীদের ব্যান্ডেজ বাধার জায়গা থাকবে না। হাসপাতালে তারা বেডও পাবে না।

সিএএ চালু হবে
এদিনের চায়ে পে চর্চা থেকে দিলীপ ঘোষকে বলতে শোনা যায়, সিএএ চালু হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যে সিএএ চালু করা নিয়ে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ইতিমধ্যেই বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন। সাংসদের দাবি অবিলম্বে সিএএ চালু করতে হবে। না হলে বিধানসভা নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে। যদিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যে এসে জানিয়েছিলেন, আগে করোনার টিকা দেওয়া হবে, তারপরেই সিএএ। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবারের সভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি সভা করবেন, কিন্তু অন্য কেউ করতে পারবে না, তা ঠিক নয়।












Click it and Unblock the Notifications