দুদিনের প্রবল বর্ষণ! প্লাবিত কোচবিহার, জলপাইগুলির বিভিন্ন অংশ
গত দুইদিন একটানা প্রবল বর্ষণে ধরলা নদীর জলস্তর বেড়ে সীমান্তবর্তী দিনহাটার দুটি গ্রাম সম্পূর্ণ প্লাবিত। ফলে প্রাণ সংশয়ে গ্রামবাসীরা। সাপে মানুষের একসঙ্গে বসতিতে আতঙ্কে রাত কাটছে গ্রামবাসীর।
গত দুইদিন একটানা প্রবল বর্ষণে ধরলা নদীর জলস্তর বেড়ে সীমান্তবর্তী দিনহাটার দুটি গ্রাম সম্পূর্ণ প্লাবিত। ফলে প্রাণ সংশয়ে গ্রামবাসীরা। সাপে মানুষের একসঙ্গে বসতিতে আতঙ্কে রাত কাটছে গ্রামবাসীর। পাশাপাশি, প্লাবিত দু'টি গ্রামে পৌঁছায়নি সরকারি সাহায্য। ক্ষোভ বাড়ছে গ্রামে।

তবে বিএসএফের তরফে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান গ্রামবাসীরা। ওই দুই গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে বিএসএফের স্পিড বোর্ড করে সেখানে ছুটে যায়। এছাড়াও সেখানে পৌঁছান বিএসএফ আধিকারিকরা। নদী পার হয়ে প্লাবিত ওই দুই গ্রামে গিয়ে কথা বলেন বাসিন্দাদের সাথে। তাদের সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে প্লাবনের ফলে ঘরে জল ঢুকে যেমন ক্ষতি হয়েছে, তেমন প্লাবনের জলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষির উপরে নির্ভরশীল এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের। পাশাপাশি এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে গবাদিপশুকে নিয়েও। সীমান্তঘেঁষা জল প্লাবিত ওই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের আলাউদ্দিন মিয়া, রাজকান্ত বর্মন, দিলীপ বর্মন, কার্তিক বর্মণ, আক্কাস মিয়া, তৈশা বর্মন প্রমুখ বলেন তাদের দুঃখের সীমা নেই। প্রতিবছর বৃষ্টিতে ধরলা নদীতে জল বাড়ার পাশাপাশি প্লাবিত হয়ে পড়ে তাদের দুই গ্রাম। নদীতে জল বাড়ায় বন্ধ হয়ে যায় নৌকা চলাচল। ফলে নদী পারাপার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গীতালদহ বাজারের সাথে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে দুই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে বর্ষার এই সময়ে জলমগ্ন অবস্থায় কঠিন সমস্যায় পড়তে হয়। রান্না করে খাওয়ার জায়গাটুকু থাকেনা। অধিকাংশ বাড়িতেই জল ঢুকে পড়ায় রান্নাবাড়ি ও বন্ধ হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে পানীয় জলের সংকট। এলাকার কোথাও কোথাও পানীয় জলের কল জলের নিচে থাকায় দূষিত হয়ে পড়েছে সেই জল বলেও স্থানীয়রা জানান।












Click it and Unblock the Notifications