চিকিৎসা না পেয়ে যন্ত্রনার হাত থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যা! চাঞ্চল্য হরিদেবপুরে
চিকিৎসা না পেয়ে যন্ত্রনার হাত থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যা! চাঞ্চল্য হরিদেবপুরে
এবার হসপিটালে চিকিৎসা না পেয়ে যন্ত্রনার হাত থেকে বাঁচবার জন্য আত্মহত্যা পথ বেছে নিলো এক বেক্তি।ঘটনা টি ঘটেছে হরিদেবপুর থানার ধারা পাড়াতে। ধারা পাড়ার বাসিন্দা গোপাল মন্ডল (৫৯)গতকাল নিজের বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৫ বছর আগে ওনার এক্সিডেন্ট হয়েছিল, সেই সময় ডান পায়ে প্লেট বসেছিলো।

বেশ কয়েক দিন ধরে পায়ে বেথায় ভুগছিল। গতকাল পায়ে ব্যথা খুব বেড়ে যায়। পরিবারের লোকজন বেহালা বিদ্যাসাগর হসপিটালে নিয়ে যায়। অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে হসপিটালে বসিয়ে রাখা হয় তাকে।
সেখানে বেথায় ছটফট করতে থাকে গোপাল মন্ডল। দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখবার পরে হসপিটাল থেকে জানানো হারের ডাক্তার আসবেনা, আপনারা অন্য হসপিটালে নিয়ে যান। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয় যে তাকে কোনো বেসরকারি হসপিটালে নিয়ে যাবে। আবার সরকারি হসপিটালে কোরোনা আতঙ্ক সেখানে ও জায়গা পাওয়া যাবে কিনা তারা জানতেন না। পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গোপাল বাবু তার স্ত্রী এর সাথে বাড়ি ফিরে আসে। আবার পায়ে যন্ত্রনা শুরু হয়, সেই যন্ত্রনা সহ্য করতে না পারায় বাড়িতে একটি পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
পরি বারের লোকেরা দেখতে পেয়ে তারাতারি উদ্ধার করে গোপাল বাবুকে কিন্তু তাখন সব শেষ। ছেলের গোপালের এই অবস্থা দেখে বৃদ্ধ বাবা ভুতনাথ মন্ডলও হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরিবারে একই সঙ্গে ছেলে ও বাবার এই মৃত্যুতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের দাবি যদি কাল বিদ্যাসাগর হসপিটালে চিকিৎসা পেতে তাহলে গোলাল বাবু এই ঘটনা ঘটাতো না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications