বাংলার দুর্গাপুজোয় লকডাউনের চরম প্রভাব পড়তে চলেছে! কোন অশনি সংকেত দেখা দিচ্ছে
বাংলার দুর্গাপুজোয় লকডাউনের চরম প্রভাব পড়তে চলেছে! কোন অশনি সংকেত দেখা দিচ্ছে
এবছর উমা মহালয়ার ১ মাস পরে পা রাখতে চলেছেন মর্ত্যে। গোটা বছরে এই একটা উৎসবের দিকে তাকিয়ে থাকে বাঙালি। বছরের শুরুতে বাঙালির ক্যালেন্ডারে দেখাই শুরু হয় 'দুর্গাপুজো কবে ?' এর খোঁজ নিয়ে। এবারে বছরের শুরুটা তাইই হয়েছিল। তবে তারপর সমস্ত তাল কেটে যায় করোনার আসুরিক আস্ফালনে। আর যেদিকে গতিবিধি যাচ্ছে, তাতে করোনার প্রবল প্রভাব ও তার জেরে লকডাউন কেড়ে নিতে পারে বাঙালির প্রাণের উৎসবের আনন্দকে!

ঔজ্জ্বল্য কমতে পারে!
পঞ্চমী থেকে ষষ্ঠী, প্যান্ডেল হপিং নিয়ে বড়সড় প্ল্যানে অনেকেই থাকবেন! তবে প্যান্ডেলের সেই জাঁকজমক সম্ভবত ২০২০ এর দুর্গাপুজো দেখতে পাবে না। যদিও প্যান্ডেল থাকবে না ,এমনটা নয়। কলকাতার সার্বজনীন দুর্গাৎসব কমিটিগুলি জানিয়েছে প্যান্ডেল এখনও পর্যন্ত থাকবে বলেই স্থির করা হয়েছে। তবে চাকচিক্য কতদূর দেখা যাবে তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা।

পুজো কিছুতেই বাতিল হবে না!
করোনার প্রবল আক্রমণের সামনে পড়েও বাঙালি নিজের প্রাণের পুজোকে রক্ষা করতে তৎপর। তাই পুজো বাতিল হবে না বলেই জানিয়েছে বিভিন্ন সার্বজনীনন দুর্গোৎসব কমিটিগুলি। কলকাতায় প্রায় ৪০০ পুজো প্রতিবার প্যান্ডেল বাঁধে, এই বছর বুক বেঁধে করোনার যুদ্ধে লড়ার সময়। এমন পরিস্থিততে যাবতীয় দুর্যোগ সত্ত্বেও মা দুর্গার পুজো বাতিলের ভাবনা মনেও আনতে পারছে না কলকাতার পুজোর উদ্যোক্তারা।

স্পনসরদের থেকে অল্প টাকা মিলছে!
এক সর্বভারতীয় পত্রিকার খবর অনুযায়ী, যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান কলকাতায় দুর্গাপুজোয় স্পনসর হিসাবে উঠে আসে, তারা এই বছর আর্থিক অনুদান কিছুটা কমাতে চাইছেন। আর এর নেপথ্যে রয়েছে বর্তমানের লকডাউন পরিস্থিতি।

মুখ্যমন্ত্রীর ফান্ডে সাহায্য
ইতিমধ্যেই একাধিক পুজো কমিটি মুখ্যমন্ত্রীর করোনার ত্রাণ তহবিলে টাকা দান করেছে। ফলে তাঁদের হাতেও সেভাবে রাজকীয় আড়ম্বরে উমাকে ঘরে আনার মতো সামর্থ নেই। দুর্গাপুজো যে হবেই তাতেত কোনও সন্দেহ নেই! এমনই বার্তা কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের।












Click it and Unblock the Notifications