মদন মিত্রের মুখে বজরংবলির কথা! বুক পকেটে হাত কেন্দ্রীয় বাহিনীর, ফুঁসে উঠলেন তৃণমূল প্রার্থী
মদন মিত্রের মুখে বজরংবলির কথা! বুক পকেটে হাত কেন্দ্রীয় বাহিনীর, ফুঁসে উঠলেন তৃণমূল প্রার্থী
এদিন সকালে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে ভোট দেন কামারহাটির (kamarhati) তৃণমূল (trinamool congress) প্রার্থী মদন মিত্র (madan mitra)। এরপর তিনি বুথে বুথে ঘুরতে শুরু করেন। কিন্তু আড়িয়াদহের এক বুথে গেলে তাঁকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাধা দেয় বলে অভিযোগ। তাঁর পকেটেও হাত দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিবাদ করেন মদন মিত্র।

মদন মিত্রের মুখে বজরংবলির কথা
এদিন সাতসকালে নিজের কেন্দ্রের মধ্যে থাকা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। সামান্য কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ছিলেন তাঁর সঙ্গে। এদিন মদন মিত্রের পরনে সাদা পাঞ্জাবি, কপালে বজরংবলির তিলক, চোখে ছিল সানগ্লাস। তিনি বলেন, এখানে পুজো দিয়ে তিনি মানসিক জোর পান।
বিজেপির প্রতি নিশানা করে তিনি বলেন, রাতে ২৯ নম্বর বুথে বোমা মেরেছে বিজেপি। তিনি বলেন, বিজেপির হাতে বোমের ডালা আর তাঁদের হাতে ঠাকুরের ডালা।

'হেভিওয়েটে'র প্রতিক্রিয়া
হেভিওয়েট প্রার্থীকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। তার উত্তরে মদন মিত্র বলেন. তাঁর ওজন ৭৫ কেজি। সেটা হেভি না লাইট টা তিনি বলতে পারবেন না। তবে তিনি বলেন ৭২ বলে ভাল হতো। এরপর মদন মিত্র ভোট দেন কাছেরই এক ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে। প্রসঙ্গ উল্লেখ্য মদন মিত্র আদতে ভবানীপুরে বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কামারহাটির ভোটার। ২০১১ সালে তিনি কামারহাটি থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তবে ২০১৬-তে তিনি হেরে যান মানস মুখোপাধ্যায়ের কাছে।

মদন মিত্রের পকেটে ভোট
মদন মিত্র বলেন. তাঁর পকেটে ভোট রয়েছে। কিন্তু অন্য কোনও নেতার পকেটে তা নেই। তিনি বলেন, মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গতবারের ফলাফল নিয়ে মদন মিত্র বলেন, গতবার টিম ছিল, জার্সি ছিল, কিন্তু ক্যাপ্টেন ছিল না। এবার ক্যাপ্টেন ময়দানে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আত্মবিশ্বাসী মদন মিত্র জানিয়েছেন, তৃণমূল দুই-তৃতীয়াংশের দিকে এগিয়ে চলেছে।

পকেট সার্চ কেন্দ্রীয় বাহিনীর
এদিন কামারহাটির ১৬৫/১৬৬ নম্বর বুথে ঢুকতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে বাধা দেয়। তাঁক পকেটও সার্চ করে। এতেই চটে যান তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। সেখানে তিনি বলেন, মাই নেম ইজ মদন মিত্র। পাল্টা প্রশ্ন করেন, কাকে ভয় দেখাচ্ছো, মদন মিত্রকে? পকেট সার্চ করছ? তাঁর পকেট থেকে বেরিয়ে আসে একাধিক দেবদেবীর ছবি। মদন মিত্র বলেন, এটা গণতান্ত্রিক দেশ। তিন বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
এদিন বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু। অভিযোগ করেছেন বিজেপির বরানগরের প্রার্থী পার্নো মিত্র এবং রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যও।












Click it and Unblock the Notifications