ভোট পরবর্তী হিংসাতে চাপের মুখে কতগুলি অভিযোগ হয়নি! মানবাধিকার কমিশনের কাছে তথ্য চাইল CBI
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে ক্রমশ তদন্তে গতি বাড়াচ্ছে সিবিআই। এই মামলাতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, বোলপুর এবং বারাকপুর আদালতে এই সংক্রান্ত দুটি মামলাতে চার্জশ
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে ক্রমশ তদন্তে গতি বাড়াচ্ছে সিবিআই। এই মামলাতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, বোলপুর এবং বারাকপুর আদালতে এই সংক্রান্ত দুটি মামলাতে চার্জশিটও দিয়েছে।

যদি তদন্ত শুরুর আটদিনের মাথাতে কীভাবে চার্জশিট পেশ করা যায় তা নিয়ে প্রশ্ন শাসকদল তৃণমূলের। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে কোনও দিকে কান দিতে নারাজ তদন্তকারীরা।
তবে এই মামলাতে এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে চিঠি দিল সিবিআই। কোনও চাপের কারণে অভিযোগ নথিভুক্ত হয়নি অথচ ঘটনা ঘটেছে এমন ঘটনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে মানবাধিকার কমিশনকে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সমীক্ষা চালায় কমিশনের আধিকারিকরা। সেই সংক্রান্ত রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কার্যত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। এবার তদন্তের স্বার্থে জাতীয় মানবাধিকা কমিশনের কাছে তথ্য চাইল সিবিআই। লেখা চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, কতগুলি এমন ঘটনা রয়েছে যেগুলির কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি? সেই সমস্ত ঘটনার তালিকা দিতে বলা হয়েছে। ওই সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখার পরে নতুন করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারে সিবিআই। এদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কাঁকুরগাছিতে খুন হওয়া অভিজিৎ সরকারের দেহের ডিএনএ রিপোর্ট জানতে চেয়ে শিয়ালদহ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পরিবার। উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জগদ্দল থেকে। ধৃত যুবকের নাম রতন হালদার। বিজেপি কর্মীর মাকে বাঁশদিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত ২ মে শ্যামনগরের রাইতা বিআর ওয়ান কলোনিতে ঘটেছিল ঘটনাটি। এই নিয়ে মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করল সিবিআই। সিবিআই তদন্তকারীরা প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মার খেয়েছিলেন মা। সম্প্রতি ব্যারাকপুর আদালতে আত্মসমর্পন করেন অভিযুক্ত। নদিয়ায় খুনের ঘটনায় ৪ জনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একজন। প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই ঘটনায় হাইকোর্টে মামলা দােয়র করা হয়। তারপরেই হাইকোর্ট সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। অন্যদিকে কম গুরুত্বপূর্ণ মামলার ক্ষেত্রে রাজ্য প্রশাসনকে সিট সঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই মতো প্রাক্তন বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুরকে মাথায় রেখে এই সিঠ গঠন করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications