শুভেন্দু অধিকারী স্বস্তিতে, পুজোর আগে বিশেষ মামলায় পেলেন হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ
পুজোর আগে স্বস্তিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তরফে ত্রিপল চুরির মামলায় (terpaulin theft case) স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় ছয় সপ্তাহের স্থ
পুজোর আগে স্বস্তিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তরফে ত্রিপল চুরির মামলায় (terpaulin theft case) স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় ছয় সপ্তাহের স্থগিতাদেশের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে হলফনামা পেশের জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুনে অভিযোগ দায়ের
অভিযোগটি ছিল গত মে মাসের। ২৯ মে ত্রিপল চুরির অভিযোগ ওঠে। দিনের বেলায় লরিতে ত্রিপল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে লক্ষাধিক টাকার ত্রিপল চুরির অভিযোগ তোলা হয় প্রশাসকমণ্ডলীর তরফে। অভিযোগে বলা হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে কাঁথি পুরসভার ডরমেটরি মাঠ সংলগ্ন গোডাউন থেকে ত্রিপল বের করা হয়েছে। অনেকেই তা দেখেছেন। পুর প্রশাসক সিদ্ধার্থ মাইতি খবর পেয়েই গোডাউন এলাকায় যান। তিনি অভিযোগ করেন, শুভেন্দু অধিকারী প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ করেছেন। ১ জুন কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ দায়ের শুভেন্দু ও সৌমেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে
কাঁথি পুরসভার তরফে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং ভাই প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ত্রিপল চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয় কাঁথি থানায়। এব্যাপারে কাঁথি পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর দুই সদস্য হাবিবুর রহমান এবং রত্নদ্বীপ মান্না-সহ অনেকেই গোডাউনের দায়িত্বে থাকা কর্মী হিমাংশু মান্নাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গিয়েছে।

আদালতেই আইনজীবীর সওয়াল
এব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী এবং সৌমেন্দু অধিকারী। আদালতে তাঁদের আইনজীবী দাবি করেন, বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এছাড়াও আইনজীবী আদালতে জানান, যে এফআইআর করা হয়েছে, তাতে কোথাও সরাসরি চুরির অভিযোগ নেই। এব্যাপারে একদিকে যেমন কাঁথি পুরসভার সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কোনও সম্পর্ক নেই, অন্যদিকে সৌমেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছাড়ার পরে তাঁকে পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। গত অগাস্টেই তাঁরা হাইকোর্টের কাছে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশের জন্য আবেদন করেছিলেন।
জুন মাসে অবশ্য এই একই কৌশিক চন্দের বেঞ্চ জানিয়েছিল ত্রিপল চুরির মামলা যেমন চলছে তেমনই চলবে।

সেপ্টেম্বর হিমাংশু মান্নার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি
এদিকে এই মামলায় গত সেপ্টেম্বরে গোডাউনের দায়িত্বে থাকা কর্মী হিমাংশু মান্নার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে কাঁথি মহকুমা আদালত। কেননা এই মামলায় তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে কাঁথি পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর তরফ থেকে। তারপর থেকেই তিনি ফেরার বলে অভিযোগ। ত্রিপল চুরির মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications