দিলীপ ঘোষ যোগাযোগ রাখছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে! ‘হাস্যকৌতুক’ নেতাকে মোক্ষম জবাব
বাণ ছেড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর এই কথার প্রত্যুত্তরে মোক্ষম জবাব দিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে আগামীদিনের ভবিতব্য লেখা রয়েছে। তাই তৃণমূলের অনেক নেতা-মন্ত্রীরা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে বাণ ছেড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর এই কথার প্রত্যুত্তরে মোক্ষম জবাব দিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

এই বলেই তাঁর ব্যাখ্যা, যে বনে খাদ্য থাকে না, বাঘ সেখানে যায় না। যে বন শুকনো, সেখানে কেউ খাবারের খোঁজ করে না। রাজ্যের পঞ্চায়েতে এই জয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসকে ছেড়ে কেউ দিলীপের সঙ্গে যোগাযোগ করবে না। দুর্বলের সঙ্গে কেউ গাঁটছড়া বাঁধে না। যাদের আদর্শ নেই, কে বা কোন বিধায়ক ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে! বলে দিলেই হয়ে গেলো নাকি। এসব হাস্যকৌতুক নেতার হাস্যকর মন্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন দিলীপ ঘোষকে জবাব দেওয়ার পাশাপাশি বলেন, আমরা অনেকদিন ধরে বলে আসছি রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তৃণমূল প্রার্থীদের জয়যুক্ত করুন। মানুষ সেই কথা রেখেছেন। বিরোধীরা অকারণে ভয়, সন্ত্রাস, মিথ্যাচার, কুৎসা ছড়িয়েছে, তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এজন্য বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ।
পার্থ বলেন, আসলে বিরোধীরা সংগঠনে জোর না দিয়ে, ঘোট, জোট, আর কোর্ট করে বেরিয়ছে। অর্থ দিয়ে বাংলার মানুষকে কেনার চেষ্টা করেছে। তাই বাংলার মানুষ তাঁদের পরিত্যাগ করেছে। বিজেপি যেটুকু লড়াই করেছ, তার মূল রয়েছে বাম ও কংগ্রেস। বিজেপিকে অক্সিজেন দিচ্ছে বাম ও কংগ্রেস। তবে ওসব আমরা ভাবছি না। শূন্য পাওয়া ছাত্র তিন পেলে সে কি ভালো ছাত্র হয়ে গেল! আমাদের কর্মীরা রক্তাক্তও হয়েছে, সব থেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে তৃণমূলকর্মীদের, আহত হয়েছে বেশি। আজ তাঁদের স্মরণ করি আমরা।
তিনি বলেন, এই বিপুল জয়ের ফলে, আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল, এই জয় মা মাটি মানুষকে উৎসর্গ করলাম। গ্রামীণ উন্নয়নের ধারা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই সবুজ সমর্থন আমাদের কাজে উৎসাহ জোগাবে।
তবে তৃণমূল মহাসচিব জানান, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ার বিজেপির উত্থান, আমরা এটা নিয়ে বিশ্লেষণ করব। জঙ্গলমহলের কোন কোন জায়গায় কেন আশানরুপ ফল হয়নি আমাদের, সেটাও আমরা দেখব। সেইসঙ্গে নির্দলের সংখ্যা কেন বাড়ল, তাও আমাদের খতিয়ে দেখব। কেন তারা দলের টিকিট পায়নি, কোথায় কোথায় নির্দলরা ভালো ফল করেছে, সেসব খোঁজ নিচ্ছি আমরা।












Click it and Unblock the Notifications