প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বৈঠক, বাংলায় দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের বার্তা শুভেন্দুর
দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর (narendra modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। এদিন দুজনের মধ্যে প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয়। সোমবার রাতে দিল্লি যাওয়ার পরে মঙ্গলবার শুভেন্দু অধি
দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর (narendra modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। এদিন দুজনের মধ্যে প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয়। সোমবার রাতে দিল্লি যাওয়ার পরে মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (anit shah) সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এদিন তিনি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন।

শুভেন্দু কেন দিল্লিতে জানেন না, বলেছিলেন দিলীপ
সোমবার রাতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তলবে দিল্লি গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি যাত্রার খবর ছিল না বলেই দাবি করেছিলেন। মঙ্গলবার হেস্টিংসে বৈঠকের আগে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, শুভেন্দু তো জানেন মিটিং আছে। তাও দিল্লি চলে গিয়েছেন। কেন গিয়েছে তা তিনি জানে না। দিল্লির নেতারা তা বলতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

দলের নেতাকে জানিয়ে এসেছি, বলেছিলেন শুভেন্দু
মঙ্গলবার দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে শুভেন্দু অধিকারীকে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন, দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব না হলেও, তিনি দলের নেতা অমিতাভ চক্রবর্তীকে ( রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন) জানিয়ে এসেছেন। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন দিলীপদার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল। তাঁরা দুজনেই মেদিনীপুরের ছেলে।

একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করব
এদিনও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করায় তিনি ফের বলেছেন, দিলীপদার সঙ্গে তাঁর অ্যাডজাস্টমেন্ট ভাল। তাঁরা একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করবেন বলে জানিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছেন, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি ঠিক করেননি। তাঁদের সময় পাওয়াও যায় না। তাই তাঁকে যেভাবে বলা হয়েছে, তিনি সেইভাবেই চলেছেন।

আদি বিজেপি নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ
মঙ্গলবার অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আর বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে। তিনি তার সূচি নিয়ে কিছুই জানেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আর কোন কোন বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন, তা নিয়েও অন্ধকারে রাজ্যের নেতারা। বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই অমিত শাহ-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা শুভেন্দু অধিকারীকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। যা নিয়ে আদি বিজেপি নেতাদের আপত্তি ছিল বলেই সূত্রের খবর। আপত্তি ছিল দিলীপ ঘোষের অনুগামীদের মধ্যেও।
এদিন এইসব বিতর্ক কাটিয়ে উঠতে ফের একবার বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী বার্তা দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications