আর ১৫ মাস পরে পাল্টে যাবে সরকার, সমঝে চলুক পুলিশ, হুঁশিয়ারি মুকুল রায়ের
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় নিগ্রহ কাণ্ড কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকা বাবুল সুপ্রিয়কে ছাড়িয়ে নিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় নিগ্রহ কাণ্ড কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকা বাবুল সুপ্রিয়কে ছাড়িয়ে নিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এরপরেই রাজ্যপালের তরফে যেমন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতি দেওয়া হয়, তেমনই বিজেপি দলের তরফেও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

বাংলায় আইনের শাসন নেই
বাংলায় আইনের শাসন নেই বলে সুর চড়িয়েছেন বিজেপি নেতারা। এদিন সেই সূত্র ধরেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের কাছে রাজভবনে গিয়ে তাঁকে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানিয়ে এলেন বিজেপি নেতারা। সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন মুকুল রায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং এবং আরও অনেকে।

বাবুলকে আক্রমণ গণতন্ত্রের লজ্জা
মুকুল এরপরে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন। বাবুল সুপ্রিয়র ওপর হামলার ঘটনা গণতন্ত্রের লজ্জা। এভাবেই গোটা পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ভোট হলেই তৃণমূল বিদায়
আগামী বিধানসভা ভোটের আর মাত্র ১৪-১৫ মাস বাকী রয়েছে। এরপরে স্বাভাবিক নিয়মে তৃণমূল সরকার রাজ্য থেকে বিদায় নেবে। তাদের আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই। অর্থাৎ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকার উৎখাত হবে। সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন মুকুল।

সমঝে চলুক পুলিশ
পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকেও কড়া আক্রমণ করেছেন তিনি। মুকুলের অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিজেপি কর্মীদের মারধর করে তাঁদের নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাদেরই কেস দিচ্ছে রাজ্যের পুলিশ। তাই পুলিশের প্রতি মুকুলের পরামর্শ, ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করুন। অর্থাৎ ক্ষমতায় এলে যে এই পুলিশ আধিকারিকদের ছাড়া হবে না, সেটাও পরোক্ষে বুঝিয়ে দিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications