বিজেপির দুর্গাপুজোর তিন বছরেই শেষ হল পথ চলা! কটাক্ষের তির ছুড়ল তৃণমূল
২০২১-এ ভোটের আগে বাঙালি-আবেগ ছুঁতে দুর্গাপুজো শুরু করেছিল বিজেপি। কিন্তু বিজেপির সেই আশা পূরণ হয়নি। তাই নমো নমো করে তিন বছর দুর্গাপুজো করেই তা পাকাপাকি বন্ধ করার সিদ্ধান নেওয়া হয়। তা ইতিমধ্যে গৃহীতও হয়েছে।
২০২১-এ ভোটের আগে বাঙালি-আবেগ ছুঁতে দুর্গাপুজো শুরু করেছিল বিজেপি। কিন্তু বিজেপির সেই আশা পূরণ হয়নি। তাই নমো নমো করে তিন বছর দুর্গাপুজো করেই তা পাকাপাকি বন্ধ করার সিদ্ধান নেওয়া হয়। তা ইতিমধ্যে গৃহীতও হয়েছে। অর্থাৎ সামনে বছরে থেকে বিজেপির দুর্গাপুজো বলে পরিচিত ইজেডসিসি-র পুজো আর হচ্ছে না।

২০২০ সালে বিজেপি অনেক আশা নিয়ে শুরু করেছিল সল্টলেকের দুর্গাপুজো। সামনে একুশের ভোট, তার আগে বাঙালি আবেগ ছোঁয়ার চেষ্টা করেছিলেন দুর্গাপুজো করে। প্রথম বছর ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিলীপ ঘোষের নেতৃত্ব বাংলার বিজেপি নেতারাও সেই পুজোকে অন্য মাত্রা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু বিগত দু-বছর ধরে বিজেপির দুর্গাপুজো নেহাতই নিয়মরক্ষার হয়ে উঠেছিল। তাই তিন বছর পুজো চালিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবার বিজয়া দশমীর দিনেই এই অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু কেন বিজেপি পুজো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল?
এবার দুর্গাপুজোয় অমিত শাহের আসার কথা ছিল। তিনি আসেননি। ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধনও করেননি। উদ্বোধন করেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ষষ্ঠীর দিন উদ্বোধনেই পুজো আগামীদিনে বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। অবশেষে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ল বলে সূত্রের খবর। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, পুজো চালানোর খরচ অনেক। তা বঙ্গ বিজেপির পক্ষ চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই সিদ্ধান্তে বিজেপির দেউলিয়াপনা প্রকট হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে বলে মনে করছে একাংশ। বিরোধীরাও এই বিষয়টি নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিশেষ করে তৃণমূল তির্যক মন্তব্য করেছে বিজেপির এই পুজো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে।
তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, বিজেপি নেতারা যদি তাঁদের পাড়ায় পাড়ায় নিজদের পুজো নিয়ে থাকতেন, তাহলে তো হল ভাড়া করে পুজো করার প্রয়োজন হত না। তার মানে দাঁড়ায় এই নেতাদেরকোনও পুজো নেই। কোনও পাড়াও নেই। এঁদের দেউলিয়াপনা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। আর উঠবে যতদিন যাবে।
একুশে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দুর্গাপুজো করে বাঙালি হিন্দুদের একটি বড় অংশের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বিধানসভা নির্বাচনে বিদজেপি তৃণমূলের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে। সেই ভরাডুবির পর আর এই দুর্গাপুজোর কোনও অর্থ নেই মনে করেছে বিজেপি। তাই পুজোয় ইতি টানার সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
-
সরস পোস্টে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের ডাক কমিশনের, হুঁশিয়ারি দুষ্কৃতীদের, তৈরি বিতর্কও -
কয়লা পাচার মামলায় এবার আইপ্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশকে গ্রেফতার করল ইডি -
লোকসভা আসন ৮৫০ করার প্রস্তাব কেন্দ্রের, ২০২৯ থেকে কার্যকর! -
নয়ডা শ্রমিক বিক্ষোভে পাকিস্তানি যোগ! সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩৫০ -
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে নীতীশ কুমারের ইস্তফা, এক যুগের অবসান -
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের নতুন দফায় আলোচনার প্রস্তুতি, বৈঠক হতে পারে এই সপ্তাহেই -
নয়ডায় নতুন করে শ্রমিক বিক্ষোভ, ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পরিস্থিতি -
হরমুজ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক! মোদী-ট্রাম্পের ফোনে দীর্ঘ আলোচনা, বড় চুক্তির ইঙ্গিত -
বেছে বেছে তৃণমূল নেতাদের গাড়ি তল্লাশি ও চক্রান্তের অভিযোগ, কমিশনে নালিশ ঘাসফুল শিবিরের -
বাংলার ভোটে প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়? -
মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশ্বজুড়ে সঙ্কটের মাঝেও এগোচ্ছে ভারতের অর্থনীতি, জিডিপি বৃদ্ধিতে ইতিবাচকতার পূর্বাভাস আইএমএফের










Click it and Unblock the Notifications