প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি গ্রস্ত মানতে নারাজ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শ্যালিকা, মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইরাদেবী
প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি গ্রস্ত মানতে নারাজ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শ্যালিকা, মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইরাদেবী
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শ্যালিকার মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গুণকীর্তন। সকলকে অনেকটা চমকে দিয়েই ইরাদেবী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি। তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত এটা মানতে পারছি না। এদিকে আবার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশংসা করতেও পিছপা হননি ইরাদেবী। এমনকী তাঁর পছন্দের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়েরও নাম করেছেন তিনি।

মোদীর প্রশংসায় ইরাদেবী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অত্যন্ত সম্মান করেন তিনি। এবং ইরাদেবী এটাও বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কোনওদিন চুরি করতে পারেন এটা তিনি বিশ্বাস করেন না। বামপন্থী রাজনীতিকের পরিবারের এক সদস্যের বিজেপি নেতার প্রকাশ্যে প্রশংসা অনেকেই চমকে গিয়েছেন। খড়দহের সিপিএম নেতৃত্ব কিন্তু দাবি করেছে বেশ কয়েকবার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সভায় দেখা গিয়েছিল ইরাদেবীকে। কিন্তু কখনও দিদি-জামাইবাবুর নাম নিয়ে কোনও বিশেষ সুবিধা নিতে আসেননি তিনি।

ইরাদেবীকে আস্বস্ত করলেন অভিষেক
গত কয়েকদিন আগেই রাস্তার ধারের ইরাদেবীকে ভবঘুরের মত পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর পরিচয় জানার পর শোরগোল পড়ে যায়। জানা যায় খড়দহের স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন তিনি। অবসর নেওয়ার পর থেকে পেনসন নিজে জট তৈরি হয়েছিল। তারপরে আপ পেনসন পাননি তিনি। সেটা জানতে পেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে পেনসন জট কাটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাতে বেশ খুশি হয়েছেন ইরাদেবী। তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসাও করেছেন।

বাড়ি ফিরলেন ইরাদেবী
কয়েকদিন আগে পর্যন্ত তাঁর ঠিকানা ছিল ডানলপের বাসস্ট্যান্ড। শিক্ষক দিবসের দিন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাঁকে সংবর্ধনা দেয়। তারপরেই প্রকাশ্যে আসে তাঁর আসল পরিচয়। তিনি নিজেই জানান তিনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শ্যালিকা। তারপরেই প্রকাশ্যে আসে গোটা ঘটনা। সঙ্গে সঙ্গে পুরসভার পক্ষ থেকে সেখানে গাড়ি নিয়ে ইরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আজই খড়দহের বাড়িতে ফিরেছেন তিনি। ইরাদেবী জানিয়েছেন সল্টলেকের বাড়িতে থাকলে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হত। তারপরে যখন বাড়ির বাইরে ছিলেন তিনি তখন কেউ তাঁকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ করেছেন ইরাদেবী।

কী বললেন বুদ্ধবাবুর স্ত্রী
ইরাদেবীর এই অবস্থা নিয়ে প্রথমে কোনও কথা বলেননি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা দেবী। তিনি বলেন ইরাদেবী এই অবস্থার জন্য নিজেই দায়ী। তিনি কোনও যোগাযোগ রাখেননি তাঁদের সঙ্গে। তিনি নিজেই এই পথ বেছে নিয়েছেন।তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ইরা দেবী যখন অবসর নিয়েছিলেন তখন কেন পেনসনে জটিলতা কাটেনি তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications