পর্দাকা পিছেমে ক্যায়া হে! সমবায় ব্যাঙ্কে আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে অধিকারীদের আক্রমণ মমতার
কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ! কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ। আর এক অভিযোগে নাম জড়িয়েছে বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের এখনও চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ! কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ। আর এক অভিযোগে নাম জড়িয়েছে বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের এখনও চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন ছোট ভাই সৌমেন্দুও। এই সমস্ত সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে ব্যাপকভাবে স্বজন পোষণ এবং দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগে একাধিকবার সরর হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও।

ভুয়ো অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে দাবি!
কন্টাই, তমলুক সমবায় ব্যাঙ্কে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সরব শাসকদল। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ-প্রশাসন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে সিআইডিও। আর এই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্ত হবে বলে সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি। তদন্তে যে বা যারা দোষী প্রমাণিত হবে তাঁদের কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের। এক্ষেত্রে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্দাকা পিছেমে ক্যায়া হে জানা দরকার।

ভুতেদের অ্যাকাউন্ট খুঁজে বার করতে হবে
ব্যাঙ্কগুলিতে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর তাত দিয়ে একাধিক আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এদিন মমতা বলেন, ওই সমস্ত ব্যাঙ্কে ভুতেদের অ্যাকাউন্ট আছে। আর তাঁরা কারা খুঁজে বার করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি তাঁর। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের মামলার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন দেখছি তদন্তের আগেও রিট পিটিশন হয়ে যাচ্ছে আদালতে। তদন্ত ঠেকাতে এই কাজ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর তোপ, রিট পিটিশন করে বসে আছে যাতে অডিট না হয়। এত ভয় কিসের?

নাম না করে অধিকারীদের তোপ মমতার!
এখনও একটি সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পদে বসে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে তাঁর অপসারণের দাবিতে দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ। এই অবস্থায় মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত নাম না করে সমবায় ব্যাঙ্কের দুর্নীতি ইস্যুতে অধিকারী পরিবারকেই আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীকের বিরুদ্ধে যে তদন্ত হবে তা হাবেভাবে এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ফলে আরও একবার চাপ বাড়তে চলেছে তাঁর উপর। উল্লেখ্য, সেচ দফতরের নিয়োগের দুর্নীতির তদন্তব চলছে। যেখানে মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনেই এই মুহূর্তে বিজেপিতে।

ঘটনার তদন্তে সিআইডি
সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে ব্যাপকভাবে স্বজন পোষণ এবং দুর্নীতি হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিআইডি। প্রয়োজনে এই মামলায় শুভেন্দু অধিকারীকে জেরা করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। জেরা করা হতে পারে ভাই সৌমেন্দুকেও। যদিও এই তদন্ত নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, শুভেন্দু, রাজীবরা বিজেপিতে আসার কারণেই ওনাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। এটাই স্বাভাবিক। অন্যান্য কেলেঙ্কারি নিয়ে কিছুই হয়না।












Click it and Unblock the Notifications