বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা যোগ দেবেন তৃণমূলে, মদনের দাবিতে পাল্টা মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি
পরিবর্তনের বছরে কামারহাটি (kamarhati) থেকে জিতে পরের বার হেরেছিলেন তৃণমূল নেতা (trinamool congress) মদন মিত্র(madan mitra)। তারপর এবার ফের জিতেছেন তিনি। তবে কামারহাটিতে নির্বাচন পরবর্তী অশান্তি লেগেই রয়েছে। সর্বশেষ ঘ
পরিবর্তনের বছরে কামারহাটি (kamarhati) থেকে জিতে পরের বার হেরেছিলেন তৃণমূল নেতা (trinamool congress) মদন মিত্র(madan mitra)। তারপর এবার ফের জিতেছেন তিনি। তবে কামারহাটিতে নির্বাচন পরবর্তী অশান্তি লেগেই রয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাতে। দলীয় অফিসে দুয়ারে সরকার শিবিরে কাজ চলার সময় মোটরবাইকে আসা দুই দুষ্কৃতী বোমা-গুলি নিয়ে হামলা করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র শুধু বিজেপিকেই (bjp) নয় দায়ী করেছেন সিপিএম (cpm) কেও।

সতর্ক থাকতে পরামর্শ মদনের
হামলার ঘটনার জেরে এলাকার বাসিন্দা থেকে প্রশাসন, সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান করেছেন মদন মিত্র। তিনি বলেছেন, কামারহাটির সবদিকে সিসি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কারা হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি হামলার পিছনে শুধু সমাজ বিরোধীরাই নয়, স্থানীয় বিজেপি এবং সিপিএম নেতৃত্বও জড়িত।

মদন মিত্রের অভিযোগ
এলাকার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মদন মিত্র। এব্যাপারে তিনি একটি অডিও ক্লিপের কথা উল্লেখ করেছেন (অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি ওয়ান ইন্ডিয়া বেঙ্গলি)। মদন মিত্রের দাবি অডিও ক্লিপটি মানস মুখোপাধ্যায়ের। যেখানে বলতে শোনা যাচ্ছেন, মানস মুখোপাধ্যায় কাউকে ভয় পায় না। তরুণদল ক্লাব তাঁর চাই। ওখানে তৃণমূল দখল করে, যা ইচ্ছা তাই করবে, তা কখনই হতে পারে না বলে মন্তব্য করতে শোনা যাচ্ছে। অডিয়া ক্লিপে শোনা যাচ্ছে দরকারে কোটি-কোটি টাকা ঢালব, গুণ্ডা পাঠাবো, পালশ পড়বে। মদন মিত্রে কত বোমা মারবে, প্রশ্ন করতে শোনা যাচ্ছেন ওই অডিও ক্লিপে। পাল্টা তারাও দিতে জানেন। সেরকম হলে তিনি তৃণমূলে চলে যাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ করবেন দলে নিতে।

মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি
এই অডিও ক্লিপের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মানুস মুখোপাধ্যায়। অডিও ক্লিপটি বানানো বলেও দাবি করেছেন মানস মুখোপাধ্যায়। তিনি পাল্টা বলেছেন, এলাকায় শান্তি চান তাঁরা। আর মদন মিত্র যা অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এর পিছনে রয়েছে তৃণমূলই। এব্যাপারে মানস মুখোপাধ্যায় মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই
এলাকার বিজেপি এবং সিপিএম উভয়েরই অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই চলছে। তার থেকেই এই ঘটনা। উভয়েই স্মরণ করিয়ে দিয়েছে একটা সময় মদন মিত্র পুরসভার বর্তমান প্রশাসককে সরিয়ে সেখানে তাঁকে বসানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকে আবেদন করেছিলেন। যদিও তাতে আমল দেননি মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications