কলকাতা থেকে সরাবেন না সেলের দফতর, কেন্দ্রীয় ইস্পাতমন্ত্রীকে চিঠি অমিত মিত্রের
কলকাতা থেকে সরাবেন না সেলের দফতর, কেন্দ্রীয় ইস্পাতমন্ত্রীকে চিঠি অমিত মিত্রের
কলকাতা থেকে সরানো হতে পারে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়া লিমিটেড ওরফে সেলের দফতর। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত এই দফতর সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ঝাড়খন্ডের একটি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে। আ র তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। ইতিমধ্যে সেলের দফতর কলকাতা থেকে সরানো নিয়ে বড়সড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বামেদের শ্রমিক সংগঠনগুলি। এমনকি ধর্মঘটের পথেও তাঁরা হাঁটবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

কেন্দ্রকে চিঠি অমিতের
কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রতাপকে চিঠি দিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। চিঠিতে কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর কাছে সেলের দফতর কলকাতা থেকে না তোলার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি অমিত মিত্র চিঠিতে বহু কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, হঠাত করে এই দফতর বন্ধ করে দিলে বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন। ফলে আরও একবার এই বিষয়টি ভেবে দেখার জন্যে কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি কেন্দ্রের তরফে।

বড়সড় আন্দোলনের হুমকি
এই খবর সামনে আসতেই বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বাম শ্রমিক সগঠনগুলির। এমনকি ধর্মঘটের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। এই ইস্যুতে বামেদের পাশে শাসকদল তৃণমূলও। ইতিমধ্যে সেলের কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। বৃহৎ আন্দোলনেরও ডাক দেওয়া হয়েছে শাসকদলের তরফেও। সেলের গেটের বাইরে লাগাতার আন্দোলন চালানো হবে বলেও জানিয়েছেন শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঁশিয়ারি প্রয়োজনে জাতীয় স্তরেও আন্দোলনকে নিয়ে যাওয়া হবে।

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কর্মহীনের আশঙ্কা
কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেলের দফতর সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কাঁচামাল সরবারহ বিভাগটি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে প্রায় ৩০০ জন কর্মী এই সংস্থায় কাজ করেন। হঠাত করে সংস্থা সরিয়ে নেওয়া হলে রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েন শতাধিকেরও বেশি কর্মী। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গের দুই রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্পাত সংস্থা সেলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট এবং ইসকো সেল-র থেকে কাঁচামাল কিনতো। সেখানে দাঁড়িয়ে সেলের এই বিভাগটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলে বড়সড় প্রভাব পড়বে। অন্য রাজ্য থেকে কাঁচামাল কেনা হলেও খরচ অনেক পড়ে যাবে। ফলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলিতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করবে বলে আশঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications