তৃণমূলের যুব-ছাত্রদের কাছেই ১০-০ গোলে হেরেছে বিজেপি, ২৪-এর চ্যালেঞ্জ নিলেন অভিষেক
তৃণমূলের যুব-ছাত্র সংগঠনের কাছেই ১০-০ গোলে হেরে গিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই তাঁরা পৌঁছতে পারেনি। ২০২১-এ তৃণমূলের কাছে বিজেপির হারকে এভাবেই ব্যাখ্যা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৪-এর চ্যালেঞ্জ নিলেন।
তৃণমূলের যুব-ছাত্র সংগঠনের কাছেই ১০-০ গোলে হেরে গিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই তাঁরা পৌঁছতে পারেনি। ২০২১-এ তৃণমূলের কাছে বিজেপির হারকে এভাবেই ব্যাখ্যা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৪-এর চ্যালেঞ্জ নিলেন। অমিত শাহের নাম করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট কথা, অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে, ক্ষমতা থাকলে তৃণমূলকে রুখে দেখাও।

অভিষেক বলেন, আর একটি মাত্র রাজ্যে সীমাবদ্ধ নেই তৃণমূল। ত্রিপুরার সংগঠন তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মাত্র এক মাসের মধ্যেই ত্রিপুরায় সংগঠনের বিস্তার করতে সমর্থ হয়েছেন তাঁরা। ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে যে মিছিল হয়েছে ত্রিপুরায়, তা দেখলেই বোঝা যাবে আমরা এক মাসে কতদূর এগোতে পেরেছে।
অভিষেক বলেন, বিজেপির পায়ের তলায় মাটি নেই ত্রিপুরায়। তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, যে রাজ্যে বিজেপি মানুষের থেকে স্বাধীনতা হরণ করছে, সে রাজ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করবে তৃণমূল। আম আদমি মানুষের স্বার্থে তাঁদের লড়াই চলবে। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করে দেখাও। ইডি-সিবিআইকে দিয়ে তৃণমূলকে রোখা যাবে না।
অভিষেকের সাফ কথা, তৃণমূলকে ধমকে-চমকে লাভ নেই। যেখানে বিজেপি গণতন্ত্র ধ্বংস করবে, সেখানেই তাঁরা সামনে তৃণমূলকে পাবে। ত্রিপুরা-অসমবাসীর উদ্দেশে অভিষেক বলেন, সবাই তৈরি থাকুন, আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করব আম আদমির স্বার্থে। আমরা যে রাজ্যে পা রাখব, সে রাজ্যেই জিতব। এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ।
অভিষেক বলেন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় দিল্লি থেকে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেও তৃণমূলকে হারাতে পারেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা তাঁদের গোটা টিমকে হারিয়ে ছেড়েছেন। তাঁরা তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারেকাছেই পৌঁছতে পারেননি। তৃণমূলের ছাত্র-যুবরাই হারিয়ে দিয়েছে বিজেপির মহারথীদের।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েপর সুযোগ্য নেতৃত্বে যেমন বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে। এবার এগিয়ে যাবে ত্রিপুরা-অসমের মতো অন্যান্য রাজ্যও। যেখানে বিজেপির হাতে গণতন্ত্র ধ্বংস হবে, সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা লড়াই করব। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত সেই লড়াই চলবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেই তিনমাসের মধ্যে যা কথা দিয়েছিলেন সেইসব প্রকল্প রূপায়িত করেছেন। বিজেপি-সহ বিরোধীরা বলেছিল, দুয়ারে সরকার শুধু ভোটের আগে চাঁদ দেখানোর ব্যবস্থা। কিন্তু ভোটের পরও দুয়ারে সরকার চলছে, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছেন মমতা।
দুয়ারে সরকারে মানুষ আসছেন, সবাই পরিষেবা পাচ্ছেন। যাঁরা দুয়ারে সরকারের বিরোধিতা করেছিলেন তাঁরা সবাই এখন দুয়ারে সরকারের লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আর আমি বলছি- দুয়ারে সরকার সবার। বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সবাই আসুন দুয়ারে সরকারে সবাই পরিষেবা পাবেন।












Click it and Unblock the Notifications