ব্রিগেডের মঞ্চে বিভাজন স্পষ্ট করলেন আব্বাস, বাম নেতৃত্বের সঙ্গে ফারাক বোঝালেন কংগ্রেসের
ব্রিগেডের মঞ্চে বিভাজন স্পষ্ট হয়ে গেল। বাম নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করলেও কংগ্রেসকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে গেলেন।
ব্রিগেডের মঞ্চে বিভাজন স্পষ্ট হয়ে গেল। বাম নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করলেও কংগ্রেসকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে গেলেন। পিরজাদা আইএসএফ সুপ্রিমো আব্বাস সিদ্দিকি বামফ্রন্টের সমস্ত দলকে সমর্থন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, কংগ্রেসকে পূর্ণ সমর্থনের বার্তা দিলেন না। পরক্ষণেই তিনি স্পষ্ট করে বললেন, বন্ধুত্ব করতে চাইলে দরজা খোলা আছে।

বামেদের সমর্থন আব্বাসের, কংগ্রেসকে নয়
ব্রিগেডের সমাবেশেও জোট বার্তা স্পষ্ট নয়। বরং দূরত্ব বজায় রাখল কংগ্রেস এবং আইএসএফ। আব্বাস সিদ্দিকি এবং অধীর চৌধুরী। আব্বাস সিদ্দিকি দুহাত তুলে কৃতজ্ঞতা জানালেন বামফ্রন্টকে। বামফ্রন্ট তাদের ৩০টি আসন ছেড়েছে। কিন্তু কংগ্রেস এখনও আব্বাস সিদ্দিকিকে আসন ছাড়েনি। তাই তাঁর তরফে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও মিলল না।

কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই সমর্থনের আশ্বাস আব্বাসের
আব্বাস সিদ্দিকি ব্রিগেডের মহামঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, আমরা ভাগীদারি করতে এসেছে তোষণ করতে আসিনি। পিছিয়ে পড়ার অধিকার বুঝে নিতে হবে। বিজেপির বি টিম তৃণমূলকে আমরা বাংলা থেকে তাড়াবই। তার জন্য সিপিএম এবং অন্যান্য বাম শরিক প্রার্থীদের সর্বত্র সমর্থনের বার্তা দেন। কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই সমর্থনের কথা বলেন তিনি।

কংগ্রেস বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেই সমর্থন নতুবা নয়
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, কেন মহাজোটের মঞ্চে এসে এই বিভাজন ঘটালেন আব্বাস সিদ্দিকি। তবে কি তিনি জোটের মধ্যেও অধিকার বুঝে নিতে চান। সে বার্তা তিনি কংগ্রেসকে স্পষ্টই দিয়েছেন। ভাগীদারি করতে এসেছি, তোষণ নয়। তাই কংগ্রেস যদি বন্ধুত্ব চায় আব্বাস দরজা খোলা রেখেছেন। অর্থাৎ কংগ্রেস বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেই সমর্থন নতুবা নয়।

একসঙ্গে পথ চলার দিনেই হোঁচট খেতে হল সংযুক্ত মোর্চাকে
বাম-কংগ্রেসের জোট আইএসএফকে সঙ্গে নিয়ে সংযুক্ত মোর্চা গঠন করেছে। ব্রিগেড থেকে তাঁর পথ চলা শুরু হল এদিন। কিন্তু একসঙ্গে পথ চলার দিনেই হোঁচট খেতে হল এই সংযুক্ত মোর্চাকে। এখনও যে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়াই হয়নি। সংযুক্ত মোর্চার ভবিষ্যৎ তাই কী হবে ব্রিগেডের পরেও প্রশ্ন রয়ে গেল।












Click it and Unblock the Notifications