জিতেন্দ্র কি ফিরে পাবেন দলের পদ! একুশের আগে ‘পরীক্ষা’র সামনে দাঁড় করাল তৃণমূল
শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছিল, শুধু বাবুল সুপ্রিয়রা বেঁকে বসায় জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া-যাত্রায় বাধা পড়ে। তিনি ফিয়ে যান তৃণমূলে। তবে কি এবার তিনি ফিরে পাবেন তাঁর হারানো পদগুলি।
শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছিল, শুধু বাবুল সুপ্রিয়রা বেঁকে বসায় জিতেন্দ্র তিওয়ারি গেরুয়া-যাত্রায় বাধা পড়ে। তিনি ফিয়ে যান তৃণমূলে। তবে কি এবার তিনি ফিরে পাবেন তাঁর হারানো পদগুলি। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর এখনই জিতেন্দ্র তিওয়ারির হারানো পদ প্রাপ্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ।

জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে শৃঙ্খলাভঙ্গের ‘শাস্তি' তৃণমূলের
তৃণমূলে ফিরে এলেও জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে শৃঙ্খলাভঙ্গের ‘শাস্তি' পেতেই হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এখনই তিনি পুরনো পদ ফিরে পাবেন না। যে পদ তিনি ছেড়েছিলেন, সেই পদ আপাতত তাঁকে ছেড়ে থাকছে। তৃণমূল আরও দেখে তারপর জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

দুই পদ আপাতত ছেড়ে থাকতে হচ্ছে জিতেন্দ্রকে
আসানসোল পুরনিগমের প্রশাসক ছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। ছিলেন তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি। ওই দুই পদ আপাতত তাঁকে ছেড়ে থাকতে হচ্ছে। গত ১৩ ডিসেম্বর তাঁর লেখা একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসে। তাতেই বিপত্তি দানা বাঁধে। চিঠিতে আসানসোলের অনুন্নয়নের কথা বলেন তিনি। সেজন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে প্রকাশ্যেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন জি্তেন্দ্র।

বাবুল সুপ্রিয়-অগ্নিমিত্রা পালদের বিরোধিতায় জিতেন্দ্র
দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতেন্দ্রপ্রসাদ তিওয়ারির সঙ্গে কথা বলবেন বলে সময় দিয়েছিলেন। তারপরও তিনি পদত্যাগ করেন। তারপরই বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শুরু হয়। তিনি সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন বলেও জানা যায়। কিন্তু এরপর তাঁর যোগদান যখন প্রায় পাকা, বাবুল সুপ্রিয়-অগ্নিমিত্রা পালদের বিরোধিতায় তা আটকে যায়।

অরূপ বিশ্বাস-প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠকের পর
তারপর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই জিতেন্দ্র তিওয়ারি কলকাতায় এসে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ছিলেন প্রশান্ত কিশোরও। এরপর তিনি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, তিনি ভুল করেছিলেন, থাকছেন তৃণমূলেই, যা সমস্যা রয়েছে, সব আলোচনা করেই মিটিয়ে নেবেন তিনি। ভুল বোঝাবুঝি সব মিটে গিয়েছে।

জিতেন্দ্রকে চাপে রেখে বাজিয়ে দেখছে তৃণমূল
এরপর তিনি আর বিজেপিমুখো হননি। তৃণমূলেই থেকে যান। তবে জিতেন্দ্রকে তাঁর পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। তা আদৌ দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েই গিয়েছে। এখন তৃণমূল মনে করছে, জিতেন্দ্রকে যদি সমস্ত পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়, দলের একাংশ ব্ল্যাকমেল করা শুরু করবে। তাই জিতেন্দ্রকে শৃঙ্খলাভঙ্গের ‘শাস্তি' পেতেই হচ্ছে। একইসঙ্গে জিতেন্দ্রকে চাপে রেখে বাজিয়ে দেখে নিতেও পারছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications