মালদহে দাপুটে দুলাল সরকার খুনে গ্রেফতার তৃণমূলেরই প্রভাবশালী নেতা! ষড়যন্ত্রের পিছনে আরও বড় মাথা? বিস্ফোরক দাবি
Dulal Sarkar Murder Case: মালদহে দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলার (TMC Councilor) দুলাল সরকার খুনে চাঞ্চল্যকর মোড়! রাতভর জেরা শেষে দলেরই টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এছাড়াও স্বপন শর্মা নামে এক কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছ। ধৃত স্বপনও শাসকদলের সঙ্গেই যুক্ত বলে খবর।
এই নিয়ে মালদহে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তবে 'মোস্ট ওয়ানটেড' বলে যাদের ছবি মালদহ পুলিশ প্রকাশ করে তাদের কাউকে ধরতে পারেনি। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তল্লাশি (Dulal Sarkar Murder Case) ।

তবে খুনের ঘটনায় আরও বড় মাথা আছে বলে দাবি তৃণমূল নেতার স্ত্রী। তাঁর কথায়, এর পিছনে আরও বড় মাথা কাজ করেছে। সবাইকে ধরতে হবে। পুলিশ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আস্থা আছে। নিশ্চয় সবাই গ্রেফতার হবে বলে জানিয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতার স্ত্রী। অন্যদিকে থানা থেকে বের করার সময়ে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি জানান, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। এর পিছনে বড় মাথা আছে। তাদের আড়াল করতেই গ্রেফতারি বলে বিস্ফোরক দাবি।
বলে রাখা প্রয়োজন, বছর শুরুর দ্বিতীয়দিনে মালদহের ইংরেজবাজার শহরের ঝলঝলিয়ার কাছে নৃশংস ভাবে খুন হতে হয় দুলাল সরকারকে। একেবারে নিজের কারখানার কাছেই গুলি করা হয়। একেবারে মুখ ঢাকা অবস্থায় তিনজন দুষ্কৃতীকে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুলিশ সুপারের অপদার্থের জন্যেই তাঁর এক সহকর্মীকে খুন হতে হল বলেও দাবি করেন। এই বিষয়ে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসনিক প্রধান। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই ঘটনার দিনেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, তৃণমূল নেতা খুনে বিহার থেকে সুপারি কিলার নিয়ে আসা হয়।
শুধু তাই নয়, তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। শুধু তাই নয়, ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। আর এই ঘটনার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার দুপুরে তদন্তে তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ এবং তাঁর দুই ভাইকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
দফায় দফায় জেরা করা হয়। এমনকি ধৃত বেশ কয়েকজনের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়েই জেরা করা হয়। আর এরপরেই তৃণমূলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যা খবর, মালদহে দাপুটে তৃণমূল নেতা দুলাল সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না ধৃত তৃণমূল নেতার। এর আগেও নাকি মারার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications