উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ! কারণ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে ঘনঘন রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (amit shah)। তবে গত চার মাসে তা আর দেখা যায়নি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে তিনি রাজ্যে আসতে পারেন। নির্দিষ্ট করে বলত
বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে ঘনঘন রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (amit shah)। তবে গত চার মাসে তা আর দেখা যায়নি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে তিনি রাজ্যে আসতে পারেন। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে উত্তরবঙ্গে। দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসতে পারেন। তবে রাজ্য বিজেপি (bjp) নেতারা জানিয়েছেন, এব্যাপারে তাঁরা কিছুই জানেন না।

জানেন না রাজ্য বিজেপির নেতারা
অমিত শাহ সেপ্টেম্বরে উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন, এই কথা মিডিয়া বললেও, রাজ্যের বিজেপি নেতারা তা জানেন না। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, এব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুও জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না।

বিধানসভা ভোটের পরেই আলাদা রাজ্যের দাবি
বিধানসভা ভোটের পরে আলাদা রাজ্যের দাবি উঠেছে উত্তরবঙ্গকে ঘিরে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ থেকে মন্ত্রী হওয়া দুই বিজেপি সাংসদ জন বার্লা এবং নিশীথ প্রামাণিকের গলায় এই দাবি শোনা গিয়েছে। এব্যাপারে প্রথম দাবি তোলেন জন বার্লা। পরে এই দুই সাংসদকে মন্ত্রীও করা হয়। মন্ত্রী হওয়ার পরবর্তী সময়েই আলাদা রাজ্যের দাবি শোনা গিয়েছে এই দুজনের মুখে। দাবিকে সমর্থন করেছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁও।

বিভ্রান্তিতে দিলীপ ঘোষ
উত্তরবঙ্গে আলাদা রাজ্যের দাবিকে সমর্থন করতে শোনা গিয়েছে দিলীপ ঘোষকে। তিনি কোনও সময় দাবির সমর্থনে বলতে গিয়ে বলছেন, সেখানে উন্নয়ন হয়নি, আলাদা রাজ্যের দাবি স্বাভাবিক। আবার কখনও তিনি বলছেন রাজ্য ভাগের পক্ষে নয় বিজেপি। তবে উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়করা ১ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। সেই বৈঠকে উত্তরবঙ্গ থেকে নির্বাচিত সব বিধায়কের উপস্থিত থাকার কথা।

কারণ নিয়ে জল্পনা
রাজ্যের বিজেপি নেতারা অমিত শাহের সফর নিয়ে কিছু না বলতে চাইলেও, সূত্রের খবর অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে আলাদা রাজ্যের দাবি নিয়ে দলের অবস্থান ঠিক করে দিতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে ডাকা হতে পারে উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়কদের। থাকতে পারেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেননা বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে রাজ্য বিজেপির অন্দরে। একদিকে যখন দলের দুই মন্ত্রী উত্তরবঙ্গে বসে আলাদা রাজ্যের কথা বলছেন, সেই সময় রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা এবং দলের অপর সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় কড়া ভাষায় রাজ্য ভাগের বিরোধিতা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications