Balurghat: বিল বকেয়া থাকায় বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ; উদ্বোধনের দেড় বছর না গড়াতেই আঁধারে বালুরঘাট স্টেডিয়াম
Balurghat: ২০২৩ সালের মে মাসে ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল বালুরঘাট স্টেডিয়ামের। মালদহের গাজোলের প্রশাসনিক সভা থেকে স্টেডিয়ামের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দেড় বছর গড়াতে না গড়াতেই ধুঁকছে সেই স্টেডিয়াম। বিলের বকেয়া টাকা না মেটাতে পারায় জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিদ্যুৎ সংযোগ (Electricity) বিচ্ছিন্ন করে দিল বিদ্যুৎ দফতর।
জানা গিয়েছে, স্টেডিয়ামের বিল বাবদ বকেয়া টাকার অঙ্কের পরিমাণ ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। যা নিয়ে বেশ কয়েকবার সতর্কও করা হয় বিদ্যুৎ দফতরের তরফে। কিন্ত তারপরেও সেই অর্থ প্রদান না করায় অবশেষে বৃহস্পতিবার জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ দফতর। যার জেরে কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল খেলাধুলো। দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে বড় মাশুল গুনতে হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ক্রীড়া সংস্থাকে।

বালুরঘাট শহরে রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়। তারই সংলগ্ন জায়গায় রয়েছে ইন্ডোর স্টেডিয়াম। পাশাপাশি কার্যালয়ের অভ্যন্তরেই রয়েছে জিম, খেলোয়াড়দের থাকার ব্যবস্থা এবং গেস্টরুম। এছাড়া সংস্থার পৃথক আয়ের উৎস হিসেবে রয়েছে অনুষ্ঠান ভবন। সেই ক্রীড়া সংস্থার বিদ্যুৎ সংযোগই বৃহস্পতিবার সকালে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে যায় বিদ্যুৎ দফতর।
জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে খবর, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের টাকার পরিমাণ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট সম্পাদক অরিন্দম চন্দ বলেন, "ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টই খোলা যাচ্ছে না। কমিটির আগের সম্পাদক ব্যাঙ্কে অভিযোগ করে রেখেছেন। মাঠের খেলাধুলো থেকে জিম সংক্রান্ত অনলাইনে সমস্ত কাজ আটকে রয়েছে।"
কমিটির লোকেরা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে মাঠ বাঁচিয়ে রেখেছেন বলে জানান জেলা হেড কোচ নব্যেন্দু দত্ত। তিনি বলেন, "এরকম যদি আর কয়েকদিন চলে, তাহলে খেলাটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জল খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। এত বাচ্চা অভিভাবক আসেন অথচ এমার্জেন্সি টয়লেট নেই। ক্যাম্প হয়ত বন্ধ হয়ে যাবে। মাঠে যে কমিটিই থাক, খেলাটা চলা উচিত।"
এদিকে, চলতি মাসের ১৪ তারিখ থেকে ক্রিকেট লীগ শুরু হয়েছে। যা টানা চলবে বলে জানান তিনি। কিন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় চলছে না পাম্প। যার জেরে ক্রিকেট লীগের জন্য পিচে জল দেওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে। কার্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ-সহ গোটা মাঠ অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে গেল জেলার ক্রীড়া ব্যবস্থা।












Click it and Unblock the Notifications