অধিকারী গড়ে খোদ বিজেপি বিধায়কের ভাইকে অপহরণের অভিযোগ! বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র খেজুরি
বিজেপি এবং তৃণমূলের সভা-পালটা সভা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা। আজ বুধবার সকালে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে খেজুরিতে সভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই বিকেলে সভা করার কথা রয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। আর দুপক্ষের সভা ঘ
বিজেপি এবং তৃণমূলের সভা-পালটা সভা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা। আজ বুধবার সকালে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে খেজুরিতে সভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই বিকেলে সভা করার কথা রয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। আর দুপক্ষের সভা ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল খেজুরিতে। আর শুভেন্দু ফিরতেই কার্যত রণক্ষেত্র আকার নিল এলাকা।

বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর। শুধু তাই নয়, খোদ বিজেপি বিধায়কের ভাইকে অপহরণের অভিযোগ। অভিযোগের তির স্থানীয় তৃনমুল আশ্রিত দুস্কৃতিদের দিকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ঘটনার পরেইঅভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে অবরোধে বিজেপি নেতা-কর্মীরা।
প্রত্যেক বছরই খেজুরিতে হার্মাদ মুক্তি দিবস পালন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পালটা তৃণমূলের তরফেও সভা করার কথা ঘোষণা করা হয়। তবে এদিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী।
যেভাবে রাজ্যে পরিস্থিতি চলছে তা নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। তবে সভা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই শুভেন্দু এলাকা ছাড়তেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
শুভেন্দু সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। ৩০ থেকে ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এমনকি একের পর এক গাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। জানা যায় সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না
খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিকের ভাইয়ের। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক জানিয়েছেন, প্রায় ঘন্টাখানেক হয়ে গিয়েছে ভাইয়ের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে এই ঘটনার জন্যে স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিদের দায়ী করেছেন বিজেপি বিধায়ক। দাবি, তারাই তাঁর ভাইকে অপহরণ করেছেন। এই ঘটনার পরেই আরও পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে।
যদিও এই ঘটনার সঙ্গে তৃনমুলের কোনও যোগ নেই বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের পালটা দাবি, ওরা নিজেরাই অশান্তি করে আবার নিজেরাই তৃনমুলের উপর অশান্তির দায় চাপায় বলে অভিযোগ।
জানা যাচ্ছে, ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়।
অন্যদিকে, এদিন বিজেপির মঞ্চ থেকেই বামেদের পাশে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালান শুভেন্দু। তিনি বলেন, ২০২৩ সাল অনেক দেরি আছে। তবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্যকে তৃণমূল-মুক্ত করুন। তারপর অন্য ভাবনা। এজন্যে বামেদের নেতা-কর্মীদের এগিয়ে আসার বার্তা দেন বিরোধী দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications