তৃণমূলের জেলা কমিটিতে নাম নেই শুভেন্দু অধিকারীর! ২০২১-এর আগে ফের শুরু জল্পনা
তৃণমূলের জেলা কমিটিতে নাম নেই শুভেন্দুর! ২০২১-এর আগে ফের শুরু জল্পনা
২০২১-এর ভোটের এখনও কয়েক মাস বাকি রয়েছে। এই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ( subhendu adhikari) নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের (trinamool congress) তরফে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা কমিটির পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেই তালিকায় নাম নেই শুভেন্দু অধিকারীর।

পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা কমিটির তালিকা প্রকাশ
আর কয়েকমাস পরেই বিধানসভা ভোট। বীরভূমের মতো জেলায় জেলা সভাপতি বুথ কমিটির মিটিং করে ফেলেছেন একদফা। মেপে দেখেছেন দলের পরিস্থিতি। সেই পরিস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন যাঁরা
তালিকায় চোখ বোলালে দেখা যাচ্ছে সেখানে চেয়ারম্যান এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাখা হয়েছে শিশির অধিকারীকে। কো-অর্ডিনেটর হিসেবে রয়েছেন, অর্ধেন্দু মাইতে, অখিল গিরি, আনন্দময় অধিকারী। মুখপাত্র হিসেবে রাখা হয়েছে মধুরিমা মণ্ডলকে।

দলে শুভেন্দুর যে পদ রয়েছে
তবে শুভেন্দু অধিকারী এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্য কমিটির সদস্য। তিনি রাজ্য দলে স্টিয়ারিং কমিটিতেও রয়েছেন।

জল্পনায় আমল দেননি বাবা
তবে শুভেন্দু অধিকারীর জেলা কমিটিতে থাকা, না থাকাকে আমল দিতে চাননি বাবা শিশির অধিকারী। তিনি বলেছেন প্রতিদিনই সভা করছেন শুভেন্দু। তিনি নীরব তো নেই। তিনি বলেন, দলের প্রতীক না থাকলে মন্ত্রী থাকবেন কী করে। তবে জল্পনা তো হতেই পারে।

সরকারকে বার্তা দিয়েছিলেন শুভেন্দু
এক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য করেছেন ক্ষমতার দম্ভ দেখালে যেমন ২৩৫ উঠে গিয়েছিল, তেমনই ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদেরও মানুষ সরিয়ে দেবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন তখনকার সরকার বলেছিল আমরা ২৩৫। আর বিরোধীরা ৩০। এত পুলিশ, এত অর্থ, এত ক্ষমতা, মানুষ সব তছনছ করে দিয়েছিল। কিন্তু সেই অহংকার কোথায় গেল তিনি বলেছিলেন, পার্টি দেখে কাজ করলে কেউ বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। পার্টিকে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। কেননা শেষ কথা বলে মানুষ। শুভেন্দু অধিকারীর এই কথা নিয়ে জল্পনা চরমে ওঠে। প্রশ্ন ওঠে তিনি কি বর্তমান সরকারকেই কিছু বললেন?

নন্দীগ্রামের সভা থেকে দিয়েছিলেন বার্তা
নন্দীগ্রামে বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন তিনি প্যারাসুটে নামেননি, লিফটে ওঠেননি। তিনি সিঁড়ি ভেঙে উঠেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক জীবনের উত্থানের কথাও বলেন তিনি। সেখানে তিনি জানান, ১৯৮৭ সালে তিনি কলেজে ঢোকেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ক্লাসের সিআর হয়েছিলেন। ১৯৮৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক। সেবছরই জিএস। ১৯৯৫ সালে অবিভক্ত কংগ্রেসের হয়ে হাত চিহ্নে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications