Khejuri Bandh: শুভেন্দুর ডাকে খেজুরি বনধ, গুঁড়ি-বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে বিজেপি কর্মীরা
Khejuri Bandh : বিজেপি নেতা রবিন মান্নার মুক্তির দাবিতে খেজুরি বনধের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো সোমবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত ১২ ঘন্টার খেজুরি বনধ পালন করছে বিজেপি। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল থেকেইউ বনধকে সফল করতে ব্যাপক সংখ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ময়দানে নেমে পড়েছেন।
খেজুরির একাধিক রাজ্য সড়কের ওপর চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। এমনকি গাছের গুড়ি-বাঁশ দলীয় পতাকা নিয়ে রাস্তা আটকে দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। যা ঘিরে রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। একের পর এক গাড়ি আটকে যায়। শুরু হয় তীব্র যানজট।

অন্যদিকে, খেজুরী হেঁড়িয়া বোগা বাস স্ট্যান্ড ও বাঁশগোড়ায় অবরোধে করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। অপরদিকে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে। বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য সরকার উপর থেকে গাছের গুড়ি বাঁশ সরিয়ে খেজুরি সচল রাখার চেষ্টা করেন পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা।
অশান্তি এড়াতে ব্যাপক পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে পুরো খেজুরি জুড়ে। জানা যাচ্ছে, বেলার দিকে বনধ কর্মসূচিতে বিজেপি নেতা-কর্মীদের পাশে থাকতে খেজুরি যেতে পারেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এমনটাই জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার বিকেলে স্থানীয় বিজেপি নেতা রবিন মান্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপির দাবি, বিনা কারণে রবিন মান্নাকে গ্রেফতার করেছে। রাতেই থানায় পৌঁছে যান শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতাকে ছাড়ার দাবিতে থানার মধ্যেই অবস্থানে বসেন তিনি। কেন গ্রেফতার সে বিষয়ে পর্যাপ্ত নথি দেখানোর আবেদনও জানান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। যদিও তা দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ।
বিজেপি নেতা গ্রেফতারের প্রতিবাদেই আজ সোমবার বিজেপি তরফে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। সকাল থেকে খেজুড়ির বেশ কিছু জায়গায় বন্ধের জোরালো প্রভাব পড়ছে। সকাল ৯ টা পর্যন্ত নিত্যদিনের মতো রাস্তায় মানুষের সংখ্যাও যথেষ্ট কম । বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ দোকান। সকালে রাজ্য সরকার ওপর গাড়ি চলাচল সচল হলেও সাতটা নাগাদ বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা কিরে গাড়ি চলাচল বন্ধের চেষ্টা করেন।
কলাগেছিয়া, তেতুলতলা, জনকায় দোকানপাট খোলা, বনধের কোনও প্রভাব পড়েনি, জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে।তবে এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ঝামেলার খবর প্রকাশ্যে আসেনি।












Click it and Unblock the Notifications