Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় সিট গঠন হাইকোর্টের! শর্ত সাপেক্ষে দায়িত্বে দুই প্রাক্তন ও এক বর্তমান IPS

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই সিটে দুই প্রাক্তন এবং একজন বর্তমান বর্ষীয়ান আইপিএসকে রাখার কথা জানিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ। ১৮ জুনের মধ্যে তদন্তকারী দলকে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ সিটের তদন্তকারী অফিসার হিসেবে সিবিআই-এর প্রাক্তন যুগ্ন ডিরেক্টর উপেন বিশ্বাস, প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত এবং বর্তমান পুলিশ আধিকারিক দময়ন্তি সেনের নাম জানান। সেই সময় রাজ্যের তরফে আইনজীবীরা পঙ্কজ দত্তের নাম নিয়ে আপত্তি করেন। যদিও সেই সময় বিচারপতি বলেন, কোনও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাকি দুজনও থাকছেন।

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় সিট

বিচারপতি মান্থা তাঁর আদেশে জানিয়েছে, তদন্তে যে কোনও সাহায্য কোনও পুলিশকর্মী কিংবা অন্য কারও সাহায্য তাঁরা রাজ্য সরকারের থেকে পাবেন। তবে এই তদন্তের ব্যাপারে কেউই মুখ খুলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন বিচারপতি মান্থা।

বিশেষ তদন্তকারী হল প্রয়োজনে মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কেননা নাবালিকার ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে একটা সময়ের কথা বলা হচ্ছে, আবার রিপোর্টে আরেক সময় লেখা রয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চিকিৎসককে চাপ দিয়ে রিপোর্ট লেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে বিরোধীরা।

গত ২১ এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। তারপর থেকেই উত্তপ্ত গোটা এলাকা। ওই নাবালিকার মৃতদেহ নেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে যেন প্রশ্ন ওঠে, ঠিক তেমনই পরিবার অবিযোগ করে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালিকার।

নাবালিকার মৃত্যুর চার দিন পরে এলাকায় রাজবংশী এবং আদিবাসী সংগঠনের মিছিলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, পাথর যেমন ছোড়া হয়, পুলিশও পাল্টা সেইসব জিনিস দিয়ে আঘাত করে। বিক্ষোভকারীরা থানার দখল নেয়।

কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় সিট গঠন হাইকোর্টের

পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন। বিজেপির তরফে ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়। বামেদের তরফে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তোলা হয়। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্ট আদালতের পর্যবেক্ষণে সিট গঠন করল। সেই সিটের তিন তদন্তকারীর দুজন হলে অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস।

প্রসঙ্গ ক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন, উপেন বিশ্বাস রাজ্য পুলিশে যেমন দীর্ঘদিন কাজ করেছেন আবার তিনি সিবিআই-এর যুগ্ম ডিরেক্টর হিসেবে পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে লালু যাদবের জেল যাত্রা সুনিশ্চিত করেছিলেন। তিনি ২০১১ সালে পরিবর্তনের সরকারে মন্ত্রীও হয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন ঘটনায় সরকার বিরোধী মত প্রকাশ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে পঙ্কজ দত্ত আইজি হিসেবে অবসর নেন ২০১১ সালে। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় টিভির শোতে তাঁকে সরকার বিরোধী মনোভাব ব্যক্ত করতে দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি তাঁর দেহরক্ষী প্রত্যাহারের ঘটনায় তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে সরকার তাঁকে দেহরক্ষী দিতে বাধ্য হয়েছে।

অন্যদিকে দময়ন্তি সেন তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরে বহু বিতর্কিত পার্কস্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের তদন্ত করেছিলেন। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল কমিশনার (১) পদে কর্মরত। গত বছরের শুরুর দিকে রাজ্যে চারটি ধর্ষণের মামলার তত্ত্বাবধানের জন্য হাইকোর্ট তাঁকেই দায়িত্ব দিয়েছিল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+