• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    কবি শ্রীজাত-র ‘অভিশাপ’ সরল ফেসবুক থেকে, বিতর্ক তবু চলছেই

    কলকাতা, ২৫ মার্চ : কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত 'অভিশাপ' ফেসবুক পেজ থেকে সরিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সন্ধ্যার পরই বিতর্কিত কবিতাটিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর শ্রীজাত জানান, তিনি লেখাটি সরাননি। লেখাটির জন্য তিনি অনুতপ্তও নন। ফলে সরানোর প্রশ্নও নেই। ফেসবুকের তরফ থেকেই সম্ভবত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।[সোশ্যাল মিডিয়ায় খুনের হুমকি কবি শ্রীজাতকে, নিরাপত্তায় স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের কনস্টেবল]

    শ্রীজাত-র ফেসবুকে পোস্ট করা 'অভিশাপ' নিয়ে গত রবিবার থেকেই বিতর্ক চলছিল। সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে উঠেছিল এই একটি কবিতা। অভিযোগ, কবিতায় কিছু ভাষার ব্যবহারে কোনও এক বিশেষ শ্রেণির ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। সেই কারণে কবির বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর হয়। হয় জামিন-অযোগ্য মামলাও। এমনকী খুনের হুমকিও দেওয়া হয় কবিকে।[(ছবি) এই কবিতাগুলি ও তার কবিদের নিয়ে কী বিতর্ক হয়েছে জানেন?]

    কবি শ্রীজাত-র ‘অভিশাপ’ সরল ফেসবুক থেকে, বিতর্ক তবু চলছেই

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীজাতর-র পাশে রয়েছেন বলে বার্তা দেন। শিল্পী-সাহিত্যিক মহলও তাঁর পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কটূক্তির মুখে পড়তে হয় তাঁকে। খুনের হুমকি পাওয়ার পর কলকাতা পুলিশের কাছে পাল্টা অভিযোগ জানান কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর কবির নিরাপত্তায় একজন দেহরক্ষীও নিয়োগ করা হয়। অবশেষ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাঁর কবিতাটি সরিয়ে দিতে মনস্থ করে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায় কবিতাটি নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ায় তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    English summary
    The Poetry of poet Srijato 'Abhishap' removed from Face Book.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more