• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‘দিদিকে বলো’ অভিযানকে ঘিরে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব তৃণমূলে, ভাঙড়ে বিধায়ক বনাম নেতা

'দিদিকে বলো' অভিযানকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এল ভাঙড়ে। প্রকাশ্যেই দ্বন্দ্বে জড়ালেন ভাঙড়ের বিধায়ক-মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। ভাঙড়ে 'দিদিকে বলো' কর্মসূচিতে একে অপরকে নিশানা করলেন। পৃথক পৃথক প্রচার সেরে ফের বিব্রত করলেন দলকে।

‘দিদিকে বলো’ অভিযানকে ঘিরে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব তৃণমূলে, ভাঙড়ে বিধায়ক বনাম নেতা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি বিধায়ক-নেতাদের জনসংযোগের বার্তা দিয়েছেন। 'দিদিকে বলো' অভিযানের প্রচার ও নম্বর এবং ওয়েবসাইট সম্বলিত কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান চলছে। সেই প্রচার অনুষ্ঠানে গিয়ে আরাবুলের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন বিধায়ক-মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা।

[আরও পড়ুন: মমতার কেন্দ্র এবার বিজেপির টার্গেটে, জনসংযোগের লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে 'চায়ে পে চর্চা' ]

আরাবুলের অনুপস্থিতিতে তিনি 'দিদিকে বলো'র প্রচারের জন্য একটি কমিটিও করে দেন। সেই কমিটিতে কাইজার আহমেদ থেকে শুরু করে ওহিদুল, নান্নুর মতো স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের রাখেন। কিন্তু আরাবুলকে রাখেননি। তারপরই পাল্টা তোপ দাগেন আরাবুল। তিনি বলেন, আমি এমন কোনও কমিটির কথা জানি না। আমি জেলা সভাপতির কথা শুনেই কাজ করছি। উল্লেখ্য, তিনি আলাদা প্রচার পর্ব সারেন 'দিদিকে বলো' কর্মসূচির।

[আরও পড়ুন: বিজেপিকে টুকলি করে তৃণমূল জাগবে না, এখন 'টার্গেট' হয়ে গিয়েছেন প্রশান্ত কিশোরই]

এদিকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে 'দিদিকে বলো' কর্মসূচিতে বেরিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় আর এক বিধায়ক-মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। মন্ত্রীর সামনেই দুই তৃণমূল সমর্থক বলেন, প্রাইমারি শিক্ষকের চাকরির জন্য ১৪ লক্ষ টাকা তাঁরা দিয়েছিলেন। কিন্তু কেউই তাঁরা চাকরি পাননি। টাকাও ফেরত পাননি। তা নিয়ে মন্ত্রীর সামনেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূলী সমর্থক।

English summary
Rejjak Mollah versus Arabul Islam are in conflict in Bhangar with ‘Didike bolo’ campaign,
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more