বেকারত্ব সমাধানে 'মাস্টারস্ট্রোক'! শতাধিক শূন্যপদে নিয়োগের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার
বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ বাড়িয়েছে সরকার। এবার কর্মসংস্থানে আরও এক বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। বাংলার গ্রন্থাগারগুলিতে ব্যাপক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। সরকারের অধীনে থাকা লাইব্রেরিগুলিতে এই নিয়োগ হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেকারত্ব সমাধানে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার! বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ বাড়িয়েছে সরকার। এবার কর্মসংস্থানে আরও এক বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। বাংলার গ্রন্থাগারগুলিতে ব্যাপক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। সরকারের অধীনে থাকা লাইব্রেরিগুলিতে এই নিয়োগ হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আর এরপরেই এই সংক্রান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে গ্রন্থাগার দফতর। এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।

ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
শুধু তাই নয়, রাজ্যের গ্রন্থাগারগুলিকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এমনটাও জানিয়েছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে রাজ্যের উপর দিয়ে একের পর এক ঝড় বয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে বুলবুল, ইয়াসের মতো ঝড় বয়ে গিয়েছে। আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে রাজ্যের গ্রন্থাগারগুলি ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে দাবি মন্ত্রীর। যদিও ধীরে ধীরে ফের গ্রন্থাগারগুলিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পরিস্থিতি সেখানে ঠিক হয়েছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ করোনার কারণেও লাইব্রেরীগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর এই সমস্যা সমাধান হয়েছে। আর তা হওয়ার পরেই নিয়োগের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা 'লোকাল লাইব্রেরি অথরিটি' (এলএলএ) গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং ঝাড়গ্রাম- এই চার জেলায় এখনও সম্পূর্ণ ভাবে লোকাল লাইব্রেরি অথরিটি (এলএলএ) গঠিত হয়নি। আর এই কারণেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে ছিল বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে নতুন করে এলএলএ'র গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আর তা হওয়ার পরেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

প্রায় ৭৩৭ টি শূন্যপদের জন্যে এই নিয়োগ করা হবে
রাজ্যে একাধিক লাইব্রেরী রয়েছে। গ্রামীণ গ্রন্থাগারের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। সেখানে কোনও লাইব্রেরিয়ান নেই। এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে আসছিল। বইপ্রেমীদের সমস্যা হচ্ছিল তা নিয়ে। এমনকি গত কয়েক বছরে একাধিক কর্মী অবসর নিয়েছেন। সেই জায়গাতেও লোক নেওয়া হয়নি। যদিও মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ জানিয়েছে, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত পাওয়া গিয়েছে। খুব শিঘ্রই এই বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৭৩৭ টি শূন্যপদের জন্যে এই নিয়োগ করা হবে।

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মুখ খোলেন ব্রাত্য
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে মুখ খোলেন ব্রাত্য বসু। তিনি জানান, বাংলায় কোনও শূন্যপদ থাকবে না। আর সেই পথেই এগোচ্ছে বাংলা। মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যাতে সব পদে নিয়োগ হয়। আমরাও সেই পথে এগোচ্ছি। দ্রুতই বাংলায় শিক্ষক নিয়োগ শুরু হবে।" আর এর মধ্যেই গ্রন্থাগারমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে নতুন করে আশারা আলো তৈরি করেছে বেকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, খুব শিঘ্রই এই সমস্ত পদে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে বলেও জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications