Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

আনন্দপুরের গুদাম অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে দশ জনের, ঠিক কত হতাহত, রয়েছে এখনও ধোঁয়াশা

পূর্ব কলকাতার আনন্দপুরের নাজিরাবাদের দুটি বিশাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ১৯ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রাতে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই ঘটনায় বাতাসে পোড়া গন্ধ আর কান পাতলে স্বজন হারানোদের মর্মান্তিক আর্তনাদ স্পষ্ট। উদ্ধার হওয়া দশটি দগ্ধ দেহাংশ এই মর্মান্তিক দুর্যোগের ভয়াবহতা তুলে ধরছে।

এদিন সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে সাতটি দগ্ধ দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে, যার আগে পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যাওয়া আরও তিনটি দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের সংখ্যা ১০ হলেও, এতে মোট কতজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়, ফলে উদ্বেগ বাড়ছে।

পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০টি পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে থানায়। প্রায় ২০টি পরিবারের মূল উপার্জনকারীদের একজনও বেঁচে আছেন কিনা, সে বিষয়ে পুলিশও কোনও আশার কথা শোনাতে পারেনি, ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

উদ্ধার হওয়া সাতটি দগ্ধ দেহাংশ মানুষের নাকি অন্য কোনও প্রাণীর, তা এখনই নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব নয়। শনাক্তকরণের কোনও উপায়ও দেখা যাচ্ছে না। একমাত্র ভিসেরা পরীক্ষা সম্পন্ন হলে তবেই কিছু তথ্য জানা সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এই জটিল কাজে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। আগুন লাগার পর থেকেই ২০ জন নিখোঁজ বলে জোরালো দাবি উঠেছে, এবং পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ২০ জনের নামেই নিখোঁজ ডায়েরি দ্রুত দায়ের করা হয়েছে। গুদামের ভিতর থেকে দুটি দেহ বা দেহাংশ বার করা সম্ভব হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ৩টে নাগাদ আনন্দপুরের ওই গুদাম দুটিতে আগুন লাগে। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দমকলবাহিনী এবং পুলিশকে আগুনের সঙ্গে একটানা লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলের মোট ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে একটানা কাজ করেছে। এত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, এদিন রাত পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এমনকী, রাত ৯টার পরেও গুদাম দুটি ধিকিধিকি করে জ্বলছিল, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বাড়িয়ে তুলেছে।

আনন্দপুরের যে দুটি গুদামে আগুন লেগেছে, সেগুলো একটি পরিচিত মোমো কোম্পানির। গুদামগুলো মূলত নরম পানীয় এবং শুকনো খাবারের প্যাকেটে ঠাসা ছিল। এই বিশাল অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কত আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে সম্পর্কেও এখনো কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রাণহানির সংখ্যা ঠিক কত, এই প্রশ্নের জবাবে বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার শুভেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এই নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+