'শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণহানি পর্যন্ত হতে পারত', রণক্ষেত্র বিধানসভা চত্বর, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ
West Bengal Legislative Assembly: বারুইপুরের ঘটনার আঁচ পড়ল বঙ্গ বিধানসভাতে। ঘটনার প্রতিবাদে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে বিক্ষোভে বিজেপি বিধায়কদের। শুধু তাই নয়, বিধানসভার স্পিকারের কুশপুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ। একই সঙ্গে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিও জানানো হচ্ছে। যা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র বিধানসভা চত্বর।
শঙ্কর ঘোষ বলেন, বারুইপুরে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণহানি হতে পারত। যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে তা মোটেই কাম্য ছিল না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশ্ন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়কের। একই সঙ্গে এই ঘটনায় বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে পর্যন্ত তীব্র আক্রমন শানান। দলদাস স্পিকার এবং মেরুদন্ডহীন স্পিকার বলেও তীব্র আক্রমণ বিজেপির।

শঙ্কর ঘোষ বলেন, বারুইপুরের ঘটনায় স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সরকার পক্ষের বিবৃতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বারুইপুর এর বিষয়টি বিধানসভার বিষয় নয় বলে উড়িয়ে দিলেন। কোনও বক্তব্য দেওয়া হল না। আর এরপরেই ঘটনার প্রতিবাদ বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা।
স্পিকারকে কালো পতাকা দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। বিজেপি বিধায়ক বলেন, বারুইপুরের ঘটনা স্পিকারের নির্দেশেই হয়েছে। উনি একেবারেই দলদাস একজন স্পিকার এবং মেরুদন্ডহীন ব্যক্তি তা ফের একবার প্রমাণ করলেন বলে দাবি শঙ্কর ঘোষের।
শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ শানান। শিলিগুড়ির বিধায়ক বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের বাংলায় একজন কলঙ্ক। মুখ্যমন্ত্রীকে উৎখাতের ডাকও দেওয়া হয় এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতি। বিশাল পুলিশবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে ঘটনাস্থলে।
দিকে দিকে বিক্ষোভ-অবরোধ
অন্যদিকে বুধবার বারুইপুরে শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ঘটনায় একেবারে উত্তাল পরিস্থিতি। সল্টলেক সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচিতে বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সারা রাজ্যের সঙ্গে বাঁকুড়াতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে বিজেপির। বৃহস্পতিবার দলের জেলা কমিটির পক্ষ থেকে শহরের মাচানতলায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে বারুইপুরের ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্ব।
বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির নব নির্বাচিত সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এদিন রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সমগ্র 'হিন্দু সমাজ'কে তাঁদের দলে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'পশ্চিম বাংলাকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা চলছে'। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এই সরকারকে উৎখাতে সকলকে এক হতে হবে বলেও তিনি দাবি করেন।












Click it and Unblock the Notifications