ED Raid: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তিন হাজার পাতার নথি উদ্ধার, মিলেছে টাকাও
বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার নটি জায়গায় খানাতল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সেখানে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক তথ্যপ্রমাণ আগামী দিনে সামনে আসবে। এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। গতকাল তল্লাশিতে তিন হাজার পাতার নথি উদ্ধার হয়েছে। এমনই জানাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।
শুধু তাই নয়, একাধিক মোবাইল ফোন ও হার্ডডিক্স উদ্ধার করা হয়েছে। কিছু পরিমাণ টাকাও নগদে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন না। তবে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন একাধিক তথ্য সামনে চলে আসবে। এই বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সাত সকাল থেকে এই তল্লাশি অভিযানে নেমেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতার ৯ জায়গায় হানা দিয়েছিল ইডি। বড়বাজার, মানিকতলা, ডালহৌসির অফিস পাড়া, সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যাল, আলিপুর সহ একাধিক এলাকায় এই অভিযান চলছে। প্রত্যেকটি জায়গাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল বাইরে।
ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান চালানোর পরে সিজিও কমপ্লেক্সে ফিরে যান তদন্তকারীরা। গতকালের তল্লাশি অভিযানে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। এমনই কথা শুক্রবার জানা গেল। কী পাওয়া গেল গতকাল ম্যারাথন তল্লশির পর? জানা গিয়েছে, ৩০০০ পাতার নথি উদ্ধার হয়েছে তল্লাশিতে। তার মধ্যে একাধিক নথি রয়েছে সম্পত্তি কেনাবেচার।
১৪ টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে আসা হয়েছে। চারটে ল্যাপটপ ইডি আধিকারিকদের হেফাজতে রয়েছে। এইসব গ্যাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপগুলিকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। অতীতে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ থেকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক ঝাঁপি খুলে গিয়েছিল। এবারও সেই রকম কোনও কিছু ঘটতে চলেছে। তার সম্ভাবনা আঁচ করছেন তদন্তকারীরা।
ব্যবসায়ী ও চার্টার্ড একাউন্টের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে। সেখান থেকেও তথ্য পাওয়া গিয়েছে। মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এখন তদন্তকারীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেইসব চ্যাট থেকে কতটা তথ্য সামনে আসে? তাই এখন দেখার বিষয। ল্যাপটপের থেকেও তথ্য উঠে আসবে। এমনই মনে করছেন তদন্তকারীর। এছাড়াও একাধিক হার্ডডিক্স উদ্ধার হয়েছে। সেই সবে কী কী রয়েছে, তা দেখা হচ্ছে।
৯ জায়গায় গতকাল তল্লাশি হয়েছিল। একটি জায়গা থেকে বেশ কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু কত পরিমান টাকার অঙ্ক? সেই সম্পর্কে কোনও তথ্য ইডি আধিকারিকরা দিতে চাইছেন না। তদন্তের স্বার্থেই সেই তথ্য এখন জানানো হচ্ছে না বলে খবর।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। চার্টার্ড একাউন্টেন্ট ও ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সেই টাকা ঘোরানোর কাজ চলছিল।












Click it and Unblock the Notifications