Azerbaijan Airlines: বিদেশি বিমান দুর্ঘটনায় পুতিনের ক্ষমা প্রার্থনা, রাশিয়ার ভুলেই কি ঘটেছে মর্মান্তিক ঘটনা?
আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের যাত্রিবাহী বিমানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রথম থেকেই রহস্য ছিল। কী কারণে মাঝ আকাশে বিমানটি ভেঙে পড়ল তা নিয়ে চলছিল চর্চা। যান্ত্রিক ক্রটি নাকি রুশ সেনার আক্রমণে বিমানটির এমন অবস্থা হল কিনা তা নিয়ে জল্পনা ছিল। এরইমধ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিলেন।
শনিবার ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার আকাশসীমায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন পুতিন। প্রশ্ন হচ্ছে কেন এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইলেন পুতিন। এই বিমান দুর্ঘটনার জন্য কি পরোক্ষে রাশিয়াই দায়ী! তাই পুতিন অন্য দেশের বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষমা চেয়ে নিলেন।

আজারবাইজান এয়ারলাইন্স গত ২৫ ডিসেম্বর এ বিষয়ে বিবৃতিও জারি বলেছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে 'বহিরাগত এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপ' হতে পারে। সরাসরি কারও নাম করেনি বিমান সংস্থাটি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে যে তথ্য জানা গিয়েছিল, তা হল-বিমানটি শুরুতেই স্বাভাবিক পথ থেকে সরে যায় ৷ ক্যাসপিয়ান সাগর অতিক্রমও করে বিমানটি ৷ তারপর রাশিয়ার আকাশে বেশ কিছুক্ষণ বিমানটি চক্কর কাটে ৷ পরবর্তীতে ভেঙে পড়ে ৷
যে অঞ্চলে বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে কঠোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে পুতিনের সেনার। মনে করা হচ্ছে, ভুল করে ইউক্রনের বিমান বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা। তার ফলেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকজন জীবিত যাত্রীর দাবি, গ্রোজনি বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি চান পাইলট। যা প্রত্যাখ্যাত হয়।
বিমানে থাকা ৬৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ৬২ জন যাত্রী এবং পাঁচজন ক্রু মেম্বার ছিলেন। ২৯ জন, যারা অল্পের জন্যে রক্ষা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দু'জন অল্পবয়সী মেয়ে ছিল। তারা ১১ এবং ১৬ বছর বয়সী।












Click it and Unblock the Notifications