পঞ্জশিরের গর্ভনর অফিস এখন আমাদের দখলে, চাঞ্চল্যকর দাবি তালিবানদের! শেষমেশ কি হার মানল নর্দান অ্যালায়েন্স?
গোটা আফগানিস্তানের এখন তালিবানদের হাতের মুঠোতে। কিন্তু গোটা আফগানিস্তান দখল করতে পারলেও পঞ্জশিরে ব্যাপক বাঁধার মুখে পড়তে হয় তালিবানদের। শুরু হয় প্রবল যুদ্ধ। তাতে প্রথম থেকে পিছু হটলেও শেষমেশ বড় ধাক্কা নর্দান অ্যালায়েন্সে
গোটা আফগানিস্তানের এখন তালিবানদের হাতের মুঠোতে। কিন্তু গোটা আফগানিস্তান দখল করতে পারলেও পঞ্জশিরে ব্যাপক বাঁধার মুখে পড়তে হয় তালিবানদের। শুরু হয় প্রবল যুদ্ধ। তাতে প্রথম থেকে পিছু হটলেও শেষমেশ বড় ধাক্কা নর্দান অ্যালায়েন্সের। তাঁদের দুর্দান্ত প্রতিরোধও শেষ পর্যন্ত হার স্বীকার করতে হয় তালিবানদের কাছে।

পঞ্জশির অবশেষে তাঁদের দখলে। তার আনন্দে শুক্রবার রাতেই কাবুলে উল্লাস শুরু করে তালিবানরা। গুলি চালিয়ে তালিবানরা উল্লাশ দেখায় কাবুলের বিভিন্ন প্রান্তে। সূত্রের খবর, তালিবানদের গুলিতে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।
যদিও সরকারি ভাবে কোনও বক্তব্য সেভাবে তালিবানদের তরফে আসছিল না। যদিও শনিবার শেষবেলায় তালিবান দাবি করেছে, তাঁরা পঞ্জশিরের গর্ভনরের অফিসে ঢুকে পড়েছে। সূত্রের খবর পঞ্জশির প্রদেশের রাজধানী বাজারকে প্রবেশ করেছে তালিবান।
এমনকি গর্ভনরের অফিসে ঢুকে কার্যত তোলপাড় চালিয়েছে সশস্ত্র তালিব সদস্যরা। অনেক লড়াই করেও তাই শেষ রক্ষা হল না নর্দান অ্যালায়েন্সের। তালিবানের তরফে দাবি করা হিয়েছে, হিন্দুকুশ পর্বতমালার কোলে থাকা সেই উপত্যকা এখন তাঁদের দখলে।
যদিও নর্দান অ্যালায়েন্সের পাল্টা দাবি, তাঁরা হার মানেনি এখনও। প্রসঙ্গত, পঞ্জশির দখলে এসেছে খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাবুলে উল্লাস শুরু করে দেয় তালিবানরা। শহরের একাধিক জায়গায় শুরু হয় গুলি চালানো। সারারাত ধরে তালিবানরা শুন্যে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ।
এই নারকীয় উল্লাসের বলি হয়েছে ৩ জন। আহত অসংখ্য। পরে জানা গিয়েছে সেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭। আহতের সংখ্যা প্রায় ৪১। আফগানিস্তানের একাধিক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আহতরা। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। তালিবানদের এই নারকীয় উল্লাসের পর গোটা কাবুলে মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁরা ভয়ে ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন।
তবে তালিবানদের তরফে এক সংবাদমাধ্যমেড় কাছে দাবি করা হয়েছে যে, তাঁরা ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে পঞ্চশিরের রাজধানীর দিকে। কিন্তু বাজারকের রাস্তায় রাস্তায় পোঁতা রয়েছে ল্যান্ডমাইন। আর সেটাই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তালিবদের কাছে। পঞ্জশির দখলের লক্ষ্যে কয়েকদিন আগে তালিবানরা সেখানকার ইন্টারনেট এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল।
ফলে অন্ধকার তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে চ্যালেঞ্জের। অন্যদিকে নর্দান অ্যালায়েন্সের দাবি, তালিবান আদৌতে পঞ্জশির এবং কাপিসা প্রদেশে সীমান্ত এলাকাতে এসে হাজির হয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভুলেও এদিকে তাঁরা ঢুকতে পারেনি বলে দাবি নর্দান অ্যালায়েন্সের।
বাহিনীর মুখপাত্র ফাহিম দাসটি দাবি করেছেন, তালিবান আমাদের প্রতিহত করতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications