ফিলিপিন্সে ভূমিকম্প! ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনে প্রাণহানি ও সুনামির আতঙ্ক অঞ্চল জুড়ে
ফিলিপিন্সের জেনারেল সান্তোস শহরে এদিন সোমবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া চারজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ যাচাই করার কাজ করছেন।
প্রথম ভূমিকম্পের প্রায় দু'ঘণ্টা পর বড় আর একটি কম্পন হয়েছে। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএস এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.১। এলাকাটিতে সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র স্কুল বন্ধ রেখেছেন। তিনি উপকূলের বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু জায়গায় সরে যেতে বলেছেন। নিজের জীবন বাঁচাতে কারো জন্য অপেক্ষা করবেন না। জরুরি অবস্থায় সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ফিলিপিন্স ইনস্টিটিউট অফ ভলক্যানোলজি এই ব্যাপারে সতর্ক করেছে। তারা বিভিন্ন স্থানে সুনামির ঢেউ পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রায় ছয়টি কেন্দ্র থেকে ঢেউয়ের উচ্চতা মাপা হয়েছে। রেকর্ড করা সর্বোচ্চ ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল ১.৪ মিটার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সব কর্তৃপক্ষকে যুক্ত করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের বেশ কিছু অঞ্চলেও সুনামির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কালিমানটান ও সুলাওয়েসি দ্বীপপুঞ্জের এলাকা। মানাডো, গোরোন্তালো এবং সাঙ্গিহে দ্বীপের বাসিন্দাদের সরানো হচ্ছে। সেখানে তিন মিটার পর্যন্ত ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জাপানও তাদের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। তারা এক মিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ আসার পূর্বাভাস দিয়েছে। মালয়েশিয়াতেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে থাইল্যান্ড বা সান ফ্রান্সিসকোতে কোনো হুমকির খবর নেই।
ভূমিকম্পের ফলে অনেক বাড়ি ধসে পড়েছে। একটি বড় শপিং মল বিধ্বস্ত হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও একটি স্কুল ভবন ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ওই স্কুলে তখন কেউ ছিলেন না।












Click it and Unblock the Notifications