গত বছর আগস্ট থেকেই চিনে আনাগোনা শুরু করে প্রাণঘাতী করোনা! বলছে গবেষণা
গত বছর আগস্ট থেকেই চিনে আনাগোনা শুরু করে প্রাণঘাতী করোনা! বলছে গবেষণা
বর্তমানে গোটা বিশ্ব কার্যত নাজেহাল হয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে। লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। নিরন্তর গবেষণার পরেও মিলছেনা এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন। এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আঁতুড়ঘর হল চিনের উহান প্রদেশ। সেখান থেকেই শুরু করে আজ সারা বিশ্বকে গ্রাস করে ফেলেছে এই আণুবীক্ষণিক মারণ ভাইরাস। চিনের দাবি ২০১৯ সালের ২৭ শে ডিসেম্বর এই ভাইরাসের প্রথম দেখা মেলে, কিন্তু গবেষণায় উঠে আসছে অন্য তথ্য।

২০১৯-র আগস্ট থেকেই চিনে ছড়াতে শুরু করে করোনা
ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণ হিসেবে চিনকে কাঠগড়ায় তুলেছে গোটা বিশ্বই। অভিযোগ চিনের তথ্য দিতে দেরি হওয়ার কারনেই বর্তমানে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত। ডিসেম্বরে উপসর্গের দেখা মিললেও এই ভাইরাস যে দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তা প্রথম বোঝা যায় জানুয়ারির প্রথমে। কিন্তু, এবার গবেষণায় উঠে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের আগস্ট থেকেই চিনে করোনার আনাগোনা শুরু হয়ে গিয়েছিল।

উহানের পার্কিং লটের উপগ্রহ চিত্র থেকে মিলেছে নয়া তথ্য
হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকরা উহানের হাসপাতাল গুলির পার্কিং লটের উচ্চমানের উপগ্রহ চিত্রের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখেন, গত বছর আগস্ট থেকেই হাসপাতালে বিভিন্ন রোগীদের মধ্যে কাশি, ডায়েরিয়ার মত উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করেছিল। গবেষকদের মতে, তখন থেকেই চিনে করোনা ভাইরাস ছড়াতে শুরু করে।

উহানের সামুদ্রিক বাজারে ভাইরাস খোঁজ মেলার আগেই দেখা দেয় উপসর্গ
যদিও গবেষকরা জানান, "আগে থেকেই উপসর্গের সাথে কোভিড-১৯ এর কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়, তবে আমাদের গবেষণায় যে সব উপসর্গ ধরা পড়েছে তা সামুদ্রিক খাবারের বাজারে করোনা সনাক্ত হওয়ার অনেক আগে ঘটে। অর্থাৎ এর থেকে অনুমান করা যায় দক্ষিণ চিনে এই ভাইরাসটি প্রথম দেখা যায়। এবং উহানে প্রথম নজরে আসার আগে থেকেই এই ভাইরাসটি ছড়াতে শুরু করেছিল।" এছাড়াও তারা জানান, আগস্টে যে ধরণের কাশি ডায়েরিয়ার উপসর্গ মিলেছে তা এর আগে অন্য কোনও অসুখে দেখা যায়নি।

করোনার জেরে মৃত্যু মিছিল গোটা বিশ্বজুড়ে
০১৯ সালের ডিসেম্বরে নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে ইতিমধ্যেই বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ পেরিয়েছে। রবিবার, করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বিশ্বে করোনায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ১লাখ ৩৬ হাজার জন। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এখনই করোনা থেকে মুক্তি পাবেনা বিশ্ববাসী। করোনার সঙ্গে জীবনধারণই আমাদের আমাদের নতুন জীবন শৈলী হবে বলে মত হু-র।












Click it and Unblock the Notifications