Maja Kuczynska: ঠিক যেন মেঘ বালিকা! বাতাসের মধ্যে অনায়াসে হেঁটে তাক লাগিয়ে দিলেন কুচজিনস্কা, দেখুন ভিডিও
অলিম্পিক হোক বা অন্য কোনও আন্তর্জাতিক ইভেন্টে হাঁটা প্রতিযোগিতা অন্যতম অঙ্গ। এই ইভেন্ট থেকে পদকও তুলছে বিভিন্ন দেশ। কিন্তু সমতল ভূমিতে বা পাহাড়ের খাঁড়াই পথে হাঁটতে আমরা মোটামুটি সবাই পারি। কিন্তু বাতাসের মধ্যে শূন্যে হাঁটা। সেও কী সম্ভব। অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন মাজা কুচজিনস্কা।
স্কাইডাইভিংয়ে জগতে পরিচিত নাম মাজা কুচজিনস্কা। ২৩ বছর বয়সী পোল্যান্ডের কন্যা তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বাতাসের মধ্যে শূন্যে হেঁটে। স্কাইডাইভিং ভিডিওগুলি দেখার সময় আমরা সবসময়ই রোমাঞ্চিত বোধ করি। এই পেশায় পারদর্শীরা বাতাসে উড়ে গিয়ে বিভিন্ন রকম কৌশল দেখান। কিন্তু সাম্প্রতিককালে কুচজিনস্কা তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নিজের অসামান্য পারদর্শীতায়।

স্কাইডাইভিংয়ের সঙ্গে মাজার পরিচিতি হয় তাঁর বাবার মধ্য দিয়েই ১০ বছর বয়সে একটি টেন্ডেম জাম্পে ভর্তি হন মাজা। মাজা এটি বিশেষভাবেই পছন্দ করতে শুরু করেন এবং খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পাঁচ বছর পর, প্রাক অফিসিয়াল এফএআই প্রতিযোগিতা চলাকালীন, তিনি ফ্রিস্টাইলে জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন হন।
মাজার একটি সৃজনশীল দিকও রয়েছে - ছোটবেলায় তিনি বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন এবং সংগীতের মঞ্চে মধ্যে পারফর্ম করতেন।তাঁর পরিবার মূলত মিউনিখ এবং প্যারিসেই বসবাস করেছে। কিন্তু মাজা পোল্যান্ডের বাসিন্দা।
মাজার বাতাসের মধ্যে হাঁটার স্টান্ট শুধুমাত্র আর্কষণীয় নয়, একইসঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে বিপজ্জনকও। স্কাইডাইভিং ইতিমধ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ কার্যকলাপ হিসাবে পরিচিত। বাতাসে হাঁটাটি অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ যোগ করে ছিল তারসঙ্গে। কিন্তু মাজা একজন পেশাদার স্কাইডাইভার যার বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তাক লাগিয়ে দেন।
মাজা ছোটবেলা থেকেই একজনপ্রাণবন্ত শিশু ছিলেন - দুই বছর বয়সে তাঁর পারদর্শীতা দেখাতে শুরু করে এবং ছয় বছর বয়সে সে জিমন্যাস্টিক অনুশীলন করত। এমনকি ঘোড়ায় চড়াও রপ্ত করে ।মাজার স্কাইডাইভিংয়ের ভিডিও গুলি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। ইতিমধ্যে ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার্স সংখ্যা ৬ লক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications