রিচার্ড ব্র্যানসনের পর জেফ বেজোস! ব্লু অরজিনের হাত ধরেই মহাকাশ ভ্রমণের পথে অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা
রিচার্ড ব্র্যানসনের পর জেফ বেজোস! ব্লু অরজিনের হাত ধরেই মহাকাশ ভ্রমণের পথে অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা
'স্পেস এক্স'-কে সামনে রেখে স্পেস ট্যুরিজম বা মহাকাশ পর্যটনের ক্ষেত্রে প্রথম সদর্থক পদক্ষেপ নেন এলন মাস্ক। যদিও সেই স্বপ্নকে গত সপ্তাহেই বাস্তবায়নের পথে এনেছেন ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসন। নিজ সংস্থার রকেটে চড়ে মহাকাশ ঘুরে এসেছেন ভার্জিন গ্যালাক্টিকের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড। সেই পথেই এগোচ্ছেন আমাজনের প্রাক্তন কর্ণধার জেফ বেজোস। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬.৩০টা নাগাদ নিজ সংস্থা ব্লু অরিজিন নির্মিত মহাকাশযান 'নিউ শেফার্ড'-এ চড়ে ভূপৃষ্ঠের ১০০ কিলোমিটার উপরে যেতে চলেছেন জেফ। সূত্রের খবর, পশ্চিম টেক্সাসের মালভূমি থেকে উৎক্ষেপিত হবে 'নিউ শেফার্ড'।

বেজোস সঙ্গে রাখছেন নিজের ভাইকেও
সূত্রের খবর, বেজোসের সঙ্গে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তাঁর ভাই মার্ক, ৮২ বছর বয়সী প্রাক্তন বিমানচালক ওয়ালি ফানক ও বছর আঠারোর অলিভার ডেমন। উৎক্ষেপণের পর থেকে পৃথিবীতে ফিরতে মাত্র ১০মিনিট সময় নেবে মহাকাশযানটি। জানা গেছে, মহাকাশে বেজোসের সঙ্গে থাকছেন না কোনো অভিজ্ঞ মহাকাশচারী। যদিও মহাকাশ থেকে ফেরার সময়ে যথাস্থানে উপস্থিত থাকবে উদ্ধারকারী দল ও স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

এই মহাকাশযাত্রা দেখবেন কোথায়?
বেজোসের সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, ব্লু অরিজিন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট blueorigin.com - থেকে সমস্ত তথ্য পাওয়া সম্ভব। মহাকাশযান সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য, উড়ানের সময়, উড়ানের ব্যাপ্তি এবং অন্যান্য তথ্য পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে। পাশাপাশি উড়ানের ঠিক আগে সমস্ত তথ্য 'লাইভ' জানা যাবে এই ওয়েবসাইটে, খবর এমনই। মঙ্গলবার কারমান রেখা অতিক্রম করতে চলেছে নিউ শেফার্ড, জানিয়েছেন বেজোস।

টুইটারে সকল খবর দেবে ব্লু অরিজিন
পশ্চিম টেক্সাসের জনমানবহীন অঞ্চলে প্রতিস্থাপন হয়েছে শেফার্ডের লঞ্চ প্যাডের। স্বভাবতই ধূ-ধূ মরুভূমিতে দর্শকদের জন্য উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া সরাসরি প্রত্যক্ষ করার কোনো সুযোগ নেই বললেই চলে। এমতাবস্থায় রকেট-মহাকাশচারী ও উৎক্ষেপণ সংক্রান্ত তথ্যাদি ব্লু অরিজিন জানাবে টুইটারে, খবর এমনটাই। পাশাপাশি সংস্থার ওয়েবসাইটে দেখা যাবে উৎক্ষেপণের সরাসরি সম্প্রচার।

উড়ানের কৌশল কিরূপ হতে চলেছে?
ব্লু অরিজিন সূত্রে জানা গেছে, টেক্সাস থেকে শব্দের প্রায় তিনগুণ বেশি গতিতে উৎক্ষেপিত হবে যানটি। উড়ানের মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই বুস্টার আলাদা হয়ে যাবে নিউ শেফার্ড থেকে এবং এরপরেই মহাকাশচারীরা কোনোরকম অভিকর্ষ টানের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারবেন না। চার মিনিটের মাথায় কারমান রেখা অতিক্রমের পর ছয় মিনিট নাগাদ বেজোস ও তাঁর সহচররা পুনরায় নিজেদের সিট বেল্ট বেঁধে নেবেন। এরপরেই ঘরে ফেরার পালা! নয় মিনিট নাগাদ প্রথম প্যারাসুট খুলে যাবে এবং ঘন্টায় মাত্র ১.৬ কিলোমিটার বেগে মাটি ছোঁবে যান।












Click it and Unblock the Notifications