সাদা বরফে লাভার থাবা, হঠাৎ জেগে উঠেছে আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি, চিনের ভূমিকম্পের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি?
বরফের চাদরে সবসময় মোড়া থাকে যেই দেশ সেই দেশে হঠাৎ করে জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি। রাতের আকাশে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছে। সোমবার রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয় আগ্নেয়গিরি উৎক্ষেপন। প্রতি সেকেন্ডে ১০০ থেকে ২০০ কিউবিক মিটার করে লাভা উৎক্ষেপণ করছে আগ্নেয়গিরি।
এর আগে আইসল্যান্ডে একাধিক ভূমিকম্প হয়েছিল। এক দিনে ২০ থেকে ২৫ বার কম্পন অনুভূত হয়েছিল আইসল্যান্ডে। তারপরেই আবার আগ্নেয়গিরির জেগে ওঠাকে ভাল চোখে দেখছেন না বিজ্ঞানীরা। বহু বছর আগে একবার জেগে উঠেছিল এই আগ্নেয়গিরি। তারকে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলেন সেকথা।

পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতি মধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে বাসিন্দাদের। নিরাপদ জায়গায় তাঁদের সরে যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম ব্যবস্থা নিচছে তাঁর সরকার। বাসিন্দাদের যাতে নিরাপদ দূরত্বে রাখা যায় আগ্নেয়গিরি থেকে সেকথা মাথায় রেখে কাজ করা হচ্ছে। মাইনাসের বহু নীচে থাকে আইসল্যান্ডের তাপমাত্রা। সেখানে আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠায় বরফ গলতে শুরু করেছে। ফলে বিপদ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই আগ্নেয়গিরি সংলগ্ন এলাকার ৪০০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর থেকেই নাই আইসল্যান্ডের ভূগর্ভস্থ তাপমাত্রার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এবং সেদিকে নজর রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা। হঠাৎ করে আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠার ঘটনাকে একেবারেই কাকতালীয় ভাবে দেখতে নারাজ বিজ্ঞানীরা।
এদিকে আবার গতকাল রাতে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে চিনে। তাতে প্রায় ১১৬ জন মারা িগয়েছেন। একাধিক বাড়িঘর গুঁড়িয়ে গিয়েছে। সেই ভূমিকম্পের সঙ্গে আগ্নেয়গিরির জেগে ওঠার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা িনয়ে জল্পনা রয়েছে। গবেষকরা এই নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। গতকাল দুপুরে পর পর দুবার পাকিস্তানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications