রাতারাতি দারিদ্র মুক্ত চিন! বিশ্বজোড়া করোনা মন্দার মাঝেও বিস্ফোরক দাবি জিংপিংয়ের
গোটা দেশে আর নেই দারিদ্রতা, বিস্ফোরক দাবি চিনা প্রেসিডেন্টের
করোনা মহামারির জেরে তীব্র মন্দায় ডুব দিয়েছে গোটা বৈশ্বিক অর্থনীতিই। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমবেশি সব দেশই। এমনকী বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে আমেরিকার মত বিত্তবান দেশও। খাঁড়া নেমে আসে চিনের উপরেও। এই সঙ্কটের কথা মাথায় রেখেও দেশের দারিদ্রতা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং। তাঁর দাবি, চিনে আর কোনও দরিদ্র মানুষ নেই। এমনকী রাতারাতি এই লক্ষ লক্ষ গরীব মানুষের আর্থিক অবস্থা চিন ছাড়া আর কোনও দেশই বিশেষ বদলাতি পারেনি।

এই জন্য সেদেশের সরকারি পরিকাঠামো, অর্থব্যবস্থারও ভূয়সী প্রশংসা করতে দেখা যায় তাকে। এই কৃতিত্ব কোনও চমৎকারের থেকে কম নয় বলেও দাবি জিনপিংয়ের। এমনকী এই নজির ইতিহাসের পাতাতেও জায়গা করে নেবে বলে মন্তব্য করতে দেখা যায় তাকে। এদিকে করোনার আগে থেকেই চিনের অন্যতম বড় সমস্যা গুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান সমস্যা ছিল দারিদ্রতা। তবে বিগত কয়েক দশকে চিন আর্থিক ভাবে বেশ খানিকটা শক্তিধর হলেও একেবারে দারিদ্র মুক্তি কী ভাবে সেই বিষয়ে দানা বাঁধছে একাধিক প্রশ্ন।
এমনকী দারিদ্র দূরীকরনে চিন যে সাফল্য পেয়েছে তা থেকে অন্য দেশগুলিও শিক্ষা নিতে পারে বলেও জানান চিনা প্রেসিডেন্ট। অন্যদিকে ২০২০ সালে চিন দাবি করেছিল দেশের মানুষের দৈনিক রোজকার ২.৩০ ডলারের উপরে নিয়ে এসেছে সেদেশের সরকার। কারণ এই আয় সীমার নীচে থাকা ব্যক্তিদের সেদেশে দরিদ্র বলে ধরা হয়। অন্যদিকে বিশ্ব ব্যাঙ্কের মাপকাঠি অনুযায়ী ১.৯০ ডলারের নীচের রোজগারের ব্যক্তিদের দরিদ্র হিসাবে ধরা হয়। যদিও বিশ্বব্যাঙ্ক এও জানিয়েছে ১৯৭০ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত ৮০০ মিলিয়ন মানুষকে চরম দারিদ্র্যতার হাত থেকে তুলে এনেছে চিন।












Click it and Unblock the Notifications