লাদাখ সংঘাত, করোনার আবহে চিনের বাণিজ্য-অর্থনীতির পরিস্থিতি কেমন! একনজরে কিছু পরিসংখ্যান
লাদাখ সংঘাত, করোনার আবহে চিনের বাণিজ্য-অর্থনীতির পরিস্থিতি কেমন! একনজরে কিছু পরিসংখ্যান
করোনার সংহার শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের উহানে। সেখান থেকে গোটা বিশ্ব জুড়ে এখন এই ভাইরাসের দাপটে ত্রাহি ত্রাহি রব। এর জেরে একাধিক দেশে লকডাউন শুরু হয়। ধাক্কা খায় অর্থনীতি, বাণিজ্য। ভারত এই ভাইরাসের জেরে লকডাউনের ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে। তবে চিন সেই ফাঁকে নিজের ব্যবসাকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে দেখা যাক।

চিনের রপ্তানি সম্পর্কে তথ্য
চিন যে সমস্ত দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িকভাবে চুক্তিবদ্ধ তাদের মধ্যে বহু দেশেই উঠে গিয়েছে লকডাউন। ফলে বাজার খুলতেই হুহু করে ঢুকছে চিনা পণ্য। আর তার জেরে পর পর তিন মাস, অর্থাৎ অগাস্ট পর্যন্ত চিন ৯. ৫ শতাংশ বাড়িয়েছে রপ্তানি। ২০১৯ সালের মার্চের পর এই প্রথম চিনের রপ্তানি পরিসংখ্যান এত ভাল হল।

আশার থেকেও বেশি উত্থান!
দেখা গিয়েছে, চিনের রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা ৭.১ শতাংশের বৃদ্ধির আশা করেছিলেন। সেই অঙ্ককে ছাপিয়ে চিন ৭. ২ শতাংশের ঘর দখল করে নিয়েছে।

আমদানিতে ধাক্কা
এদিকে চিন রপ্তানিতে মুনাফার ঘর দেখলেও, আমদানির পরিমান কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষত, জুলাই মাসে আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে চিন। সেই সময় ১. ৪ শতাংশ কম হয়েছে আমদানি। তবে , এই গোটা ভারসাম্যের অঙ্ক থেকে স্পষ্ট যে, রপ্তানি বাড়তেই চিনের পোক্ত অর্থনীতির ছাপ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

চিনের সংস্থাগুলির অবস্থা
এদিকে, জানা যাচ্ছে চিনের একের পর একসংস্থা প্রচুর রপ্তানির বরাত পেয়ে ক্রমাগত হারে বাড়িয়ে যাচ্ছে উৎপাদন। লাদাখ সংঘাত বা করোনার প্রবল দাপট কোনও কিছুতেই চিনের অর্থনীতি যে ধুঁকে পড়েনি, তা এই সমস্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান প্রমাণ করছে। বিশ্ব জুড়ে চিনের মেডিক্যাল সরঞ্জাম ও ইলেক্ট্রনিকের চাহিদা বেড়েছে।

কেন এত চাহিদা চিনের দ্রব্যের?
চিনের পণ্য গুণগত মানের চেয়ে কম দামের জন্য বিখ্যাত। লকডাউনের ফলে বিশ্ব কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ । ফলে পণ্ডেযর কম দামে চাহিদা বেড়েছে। আর সেই চাহিদার বাজারে চিন 'একমেব অদ্বিতীয়'! ফলে করোনা সংহার কাটিয়ে চিনে ফের অর্থনীতিতে মেজাজে ফিরছে বলে তথ্য উঠে আসছে।












Click it and Unblock the Notifications