US China Tariff War: শুল্ক-সংঘাত সপ্তমে! আমেরিকার পণ্যে পাল্টা আমদানি শুল্ক বসাল চিন, ট্রাম্পকে জবাব জিনপিংয়ের
US China Tariff War: মঙ্গলে চরমে শুল্কযুদ্ধ। আমেরিকার পণ্যে এবার পাল্টা শুল্ক আরোপ করল চিন। বেশকিছু মার্কিন কৃষিজাত পণ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপাল বেজিং। চিনের অর্থমন্ত্রক মঙ্গলবার এক বিবৃতি জারি করে একথা ঘোষণা করেছে। চিনা পণ্যে ২০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। পাল্টা শুল্ক আরোপ করে মুখের উপর জবাব শি জিনপিংয়ের সরকারেরও।
জানা গিয়েছে মুরগীর মাংস, গম, ভুট্টার উপর ১৫ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে চিন। সোয়াবিন, শূকরের মাংস-সহ অন্যান্য বেশকিছু পণ্যে চাপানো হয়েছে ১০ শতাংশ শুল্ক। গত সপ্তাহেই চিনা পণ্যে আরোপিত মার্কিন শুল্ক কার্যকর হয়ে গিয়েছে। আর এবার চিন আমেরিকার শুল্ক যুদ্ধে নতুন অধ্যায়। কর্মফল ভোগ করতে হবে আমেরিকাকে।

আগামী ১০ মার্চ থেকে কার্যকর হবে চিনের আরোপিত শুল্ক। এতদিন কৃষিজাত পণ্যের আমদানিতে চিনের বাজারে যেসব মার্কিন সংস্থা দাপট দেখিয়ে এসেছে তাদের টার্গেট করেই শুল্কের খাঁড়া চাপিয়েছে শি জিনপিংয়ের সরকার। বিগত কয়েক বছরে বিকল্প হিসেবে ব্রাজিলের থেকে আমদানির পথে হেঁটেছিল চিন। কিন্তু দানাশস্য ও মাংসের জন্য আমেরিকার উপরই অনেকাংশে নির্ভর করতে হত চিনকে।
মুরগীর মাংসে চিনের শুল্ক আরোপের ফলে আমেরিকার রপ্তানিতে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের প্রভাব পড়তে পারে। ২০১৮ সালেও একইরকমভাবে শুল্ক চাপিয়েছিল চিন। ওই সমস্ত পণ্যে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপিয়েছিল। যার জেরে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছিল সয়াবিন রপ্তানির ক্ষেত্রে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি চিন থেকে আমদানিকৃত পণ্যে প্রথমে ১০ শতাংশ ও পরে ২০ শতাংশ শুল্ক চাপায় আমেরিকা। তারই খেসারত এবার ভুগতে হবে ট্রাম্প সরকারকে।
এদিকে মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর হয়েছে মেক্সিকো ও কানাডার উপর আমেরিকার ধার্য করা শুল্কও। প্রতিশোধ হিসেবে পাল্টা মার্কিন পণ্যে শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন কানাডার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত পণ্যে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রুডো। আমেরিকার বিরুদ্ধে আগাম প্রস্তুতি সেরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টও।












Click it and Unblock the Notifications