Bangladesh: ১৫ অগাস্টের ছুটি বাতিল, জাতীয় শোক দিবস পালনে নারাজ হাসিনাহীন বাংলাদেশ
বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের হত্যার দিনকে জাতিয় শোক দিবস হিসেবে মানতে নারাজ বাংলাদেশ। বাতিল করা হল ১৫ অগাস্টের ছুটি। গতকাল আওয়ামি লিগ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস। তাতে সব জলই বঙ্গবন্ধুর হত্যার দিন হিসেবে ১৫ অগাস্টে শোকদিবস পালন করতে আপত্তি জানিয়েছে।
সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের পর গতকাল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় যে ১৫ অগাস্টের শোক দিবসের ছুটি বাতিল করা হল। অন্তর্বর্তী সরকারের এই সিদ্ধান্তে নতুন করে অশান্তি হতে পারে। এই আশঙ্কায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকবে। কোথাও কোনও গণ্ডগোলের আঁচ পেলে সঙ্গে সঙ্গে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

হাসিনা সরকার পতনের পরেই বাংলাদেশ জুড়ে যেভাবে মুজিবর রহমানের মূর্তি ভাঙা হয়েছে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর বাড়িঘর। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এমনকী তাঁদের পরিবারের লোকেদেরও ছাড়া হয়নি। শিশু-মহিলা নির্বিশেষে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। তাতেও ক্ষোভ মেটেনি বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে দিতে মরিয়া আজকের বাংলাদেশ।
প্রকাশ্যে বাংলাদেশ এখন অস্বীকার করছে বাংলাদেশের বাংলাদেশ হয়ে ওঠার নেপথ্যে বঙ্গবন্ধুর অবদান। হাসিনা সরকারের পতনের দিনে যে দৃশ্য গোটা বিশ্ব দেখেছে তাতে স্পষ্ট যে বাংলাদেশ তাঁদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে অস্বীকার করছে। হাসিনা সরকারের প্রতি রাগ-ক্ষোভের মাঝে নিজেদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে তারা অস্বীকার করে ফেলেছে। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান না থাকলে যে আজকে বাংলাদেশ বাংলাদেশ হতে পারত না সেটা তাঁরা অস্বীকার করতে মরিয়া।
গোটা বাংলাদেশ থেকে মুজিবর রহমানের সব রকম অস্তিত্ব মুছে ফেলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্টের দিনেই মুজিবর রহমান সহ তাঁর পরিবারের ১৬ জন সদস্যকে নির্মম ভাবে ুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ধানমন্ডির বাড়িতেই তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই দিনটিকে জাতিয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তারপর থেকে যতদিন হাসিনা সরকার ছিল ততদিন জাতিয় শোক দিবস হিসেবে ১৫ অগাস্টকে উদযাপন করেছে বাংলাদেশ।
কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পরেই বেঁকে বসেছে গোটা বাংলাদেশ। এমনই নাকি দাবি করা হয়েছে। এদিকে দেশ ছাড়া হলেও বাবার অপমান মেনে নিতে নারাজ মেয়ে শেখ হাসিনা। তিনি অন্তরালে থেকেই গর্জে উঠেছেন। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দেওয়া অসংখ্য শহিদের অপমান করছে বাংলাদেশ। শহিদদের অবমাননা করছে আন্দোলনকারীরা।
সেই শহিদদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে কুর্নিসও জানিয়েছেন সেখ হাসিনা। তাঁদের জন্যই আজ স্বাধীনতার মুখ দেখতে পেয়েছে বাংলাদেশ। বলেছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে রয়েছেন তিনি। ব্রিটেন এবং আমেরিকার কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু সেটা খারিজ করে দেয় তারা। তারপর থেকে বাংলাদেশে রয়েছেন তিনি।
হাসিনা অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে গদিচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকার হাত রয়েছে। আমেরিকাকে সোলেমন দ্বীপ দিয়ে দিলে বাংলাদেশ ছাড়তে হত না। বাংলাদেশ এখন মৌলবাদী শাসকদের দখলে। এই নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাতও রয়েছে বাংলাদেশের এই অশান্তির নেপথ্যে।












Click it and Unblock the Notifications