লাদাখ উত্তেজনার মাঝে চিনকে জোরালো ধাক্কা এবার জার্মানির! বার্লিন সদর্পে কী জানাল
লাদাখ উত্তেজনার মাঝে চিনকে জোরালো ধাক্কা এবার জার্মানির! বার্লিন সদর্পে কী জানাল
সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চিনের বিদেশমন্ত্রীর ইওরোপ সফর যে কতটা ব্যর্থ হয়েছে, তা ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। লাদাখ সংঘাতের আবহে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই গিয়েছিলেন ফ্রান্স , জার্মানি, নরওয়ের মতো দেশে সফরে। সেখানে, লাদাখ পরিস্থিতির মধ্যে রাজনৈতিক সফরে গিয়ে বহু কূটনৈতিক কথা যে হয়েছে তা কূটনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যায়। তবে এই সমস্ত ইওরোপিয় দেশ যে চিনের তোষামদে মন গলায়নি তার পরিচয় এবার দিল জার্মানি।

জার্মানির দাবি
চিনের একনায়কতন্ত্র ও তার হাত ধরে আসা দেশবাসীর ওপর অত্যাচারের বহু ঘটনাই মানবাধিকর লঙ্ঘনের তালিকায় সামিল। আর সেদিকে তাকিয়ে , ইন্দো পেসিফিক এলাকায় গণতান্ত্রিক দেশগুলির পাশে তারা রয়েছে বলে জানিয়ে দিয়েছে
জার্মানি। জিনপিং শাসিত চিনের একনায়কতন্ত্র যে জার্মানির মন গলাতে পারেনি, তা মার্কেল প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

জার্মানির কূটনীতি
ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। আর ইন্দো পেসিফিক এলাকায় গণতান্ত্রিক দেশগুলির সঙ্গে জার্মানি রয়েছে বলে , বার্লিন যে অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে,তাতে স্পষ্ট যে লাদাখ আবহে তারা ভারতের সঙ্গেই রয়েছে। বার্লিন জানিয়েছে, আইনের শাসন ধরে রাখতে তারা ইন্দো পেসিফিক এলাকায় গণতান্ত্রিক দেশগুলির পাশে রয়েছে।

মার্কেল প্রশাসনের বার্তা
অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের দেশ জার্মানি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় নির্ভর করে আগামীর বিশ্বকে দেখতে চায় জার্মানি। আর তারজন্যই পেশীশক্তির শাসনে সায় নেই বার্লিনের। যে সমস্ত দেশ লিবারাল ও গণতান্ত্রিক , সেই দেশের পাশেই জার্মানি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কীভাবে মুখ কালো হল চিনের!
উল্লেখ্য, ফ্রান্স ও
জার্মানি সফরে গিয়ে দুই দেশের প্রশাসনকেই লাদাখ আবহে নিজের দিকে টানার চেষ্টা করেছিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। চিনের বিদেশমন্ত্রী ইওরোপ ছাড়তেই রাফাল নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চলে আসেন ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। যার দ্বারা তিনি সাফ বুঝিয়ে দেন লাদাখ সংঘাতের মধ্যেও ফ্রান্স কার পক্ষে রয়েছে। এরপর জার্মানির এই সজোর বার্তা। এর জেরেই ইওরোপে চিমের ভাবমূর্তি সম্পর্কে ধীরে ধীরে ছবি স্পষ্ট হচ্ছে। যা লাদাখ আবহে ভারতকে 'অ্যাডভান্টেজ' এ রাখছে!












Click it and Unblock the Notifications